অনুপম দাশশর্মা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনুপম দাশশর্মা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৭

অনুপম দাশশর্মা



অগ্রাহ্যের দেয়াল..


অগ্রাহ্যের দেয়াল গড়ে তোলে যারা
তারা নমস্য
তাদের প্রলম্বিত ভূজে তাপ
যোগায় সর্বনাশী অহং
মোহমুগ্ধতায় আত্মনদীতে তারা
প্রবল জলপ্রপাত
এড়িয়ে যাই, তাদের অদৃশ্য গন্ধ
পেরিয়ে আসি অন্ধকার প্রকোষ্ঠ
রাজহাঁসের মত ভাসতে ভাসতে
বুঝে নিই নিজস্ব মানচিত্র
সেই তাদের ভৌগলিক চৌহদ্দির বাইরে


তৃষ্ণা..

একবুক বধির হয়ে গেলে
খন্ড পাথর হয়ে ওঠে মন
অবরোহে নেমে আসে স্বর
নিঃশব্দে বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে
অতৃপ্তির দাবানল
দূর থেকে দেখি তোমার নীলাম্বরি দূল
যেখানে আচম্বিতে রেখেছিলাম
রাজ্যজয়ের মূর্খ আহ্লাদ
ভোরের হাত ধরে এখন দেখি
শিশিরের আহ্লাদ
শিখতে থাকি কোন মন্ত্রে শিশির
মিশে যায় রোদ্দুরে বুকে....


গ্রীণল্যান্ড পার্ক..

অনেকটা পা এগোলেই কার্পেটে
সবুজের সানাই
যদিও চারকোণা বাউন্ডারীতে
সূঁচগলা নিস্তব্ধতা
ইস্পাতের ওয়েলকাম শুনতে শুনতে
চাঁদের পাহাড়ে ওঠা
এসব পুরোটাই মুগ্ধতার বিস্তার
মূলতঃ এই ঘেরা-অরণ্যে
বন্দি হয়েছে কোলাহল সার্বিক
সূর্যের চিবুক ছুঁতে পারার হাইরাইজ
পশ্চিমী রেওয়াজে সিদ্ধ
শুধু বড্ড মিস হয় টালির চালে বুক পেতে
শুয়ে থাকা লাউডগার চঞ্চলতা....

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০১৭

অনুপম দাশশর্মা


সজ্জাহীন..
.

.

বৃষ্টির আর তেমন দক্ষতা নেই
তাও এক পশলা ঝরে যাবার পর
ভিজে যাওয়া দুঃখগুলো দেখি
বহুদিন কেউ ভেজাতে পারেনি
উত্তপ্ত বিষাদগুলোকে
উড়ন্ত বকের ডানায় ভাসিয়ে দেবে
তেমন বিশ্বাস কই?
অথচ সামান্য জলেই কৃতজ্ঞ
হয়ে চোখ মেলে মরা ডালে
অঙ্কুরিত পাতা
.
ঠিক যেমন আচমকা দেখা হয়ে যায়
ব্যস্ততম পথে চেনা মুখের
সজ্জাহীন উদারতা
----------------------------------------------------------------------------------------------------

শ্রদ্ধেয় ....
.
বাগানে চাদর বিছিয়ে আহ্বান করি
ঘাস থেকে উঠে চলে জল
হাওয়া পিঠে টোকা দিয়ে যায়
ভরসার একটি হাতও কাছে আসে না
অথচ অপেক্ষায় থাকে দিনরাত
পরম বন্ধুর মত গাছ
জল চায় পিপাসার জিভ
গাছ চায় চেতনার ছোঁয়া
মানুষ চায় স্বার্থের বড় নৌকা
কোথায় দাঁড়াব শ্রদ্ধার চোখে চোখ পেতে
#
জীবনকে ধরে কত জ্ঞানবৃক্ষ
হয়ে গেছে পুঁথিতে জলপ্রপাত
এখন আর পাইনা বাড়ান হাত
#
তবু বসে থাকি চাদর পেতে সামনে
পথ চলতি কোন শ্রদ্ধেয়র হাত নাড়া
দেখব বলে....

সবুদ...
.
সময়ের অনেক ফাঁক থাকে, তাও-
তুমি আসোনি
প্রতিপদ চাঁদ খেয়ে নেয়
ধৈর্যের চোখ
চেয়ে চেয়ে দেখি কখন ফিরে গেছে
বয়স্ক রোদ্দুর
তুমি আলস্যের শিখা জ্বালিয়ে
সেঁকে নিচ্ছো অক্ষমতার
আপাদমস্তক
#
আরো রাত নিঝুম হলে
ফুটপাথে এসে দাঁড়াই
নাক উঁচু করে শুঁকতে থাকি বাতাস
পেয়ে যেতেও পারি অন্যখামে কারোর
বিশ্বাস সবুদ

বুধবার, ১৪ জুন, ২০১৭

অনুপম দাশশর্মা


সেই দৃষ্টি
..........
যতদূর যায় নজর দেখে গেছি রোজ
উপরে তাকিয়ে দেখেছি যদি
চোখে পড়ে এক চিলতে সাদা মেঘ
পাইনি......
জমিতে যে জলবিন্দু পড়ে তা তো সব
শুষে নেয় না ধরণী
কিছু কিছু ফোঁটা ফিরে যায়
চোখের আলয়ে।
.
সেই তেমন কোন চোখ অবয়বের
আড়ালে থেকে গেছে বহুদিন
তাকাই আকাশে, যদি ভেসে যাওয়া
কোন মেঘের টুকরো আকার নিয়ে নেয়...
ফিরে কি পাবো না আমার আত্মা ছোঁয়া
সেই দৃষ্টি...

দৃষ্টিপাতের সংকেতে  
........................... .
তেমনভাবে পড়েনি চোখে চোখ
দেয়নি ডাক তেমন সকাতরে
বইছে বাতাসে ছাইচাপা যত শোক
হয়নি ডাকা কোন নিভৃত বাসরে
.
হাওয়ায় হাওয়ায় ঘনিয়ে ওঠে শব্দ
হিসেব-খাতায় তুলাদন্ডের মুখ
জ্যোৎস্নাখচিত ডাইরির পাতা বলে
ভাব সুমদ্রে ডুব দে না উজবুক
.
ডুব দেবে কী ডুবেছে যখন মন
চোখের কোলে তখনি বাবুই দল
বাসা বেঁধেছে নজর-চিহ্ন গুণে
দৃষ্টিপাতের সংকেতে অবিচল

একান্ত আহ্লাদ  
................. .
এ দহনকাল অবুঝ বড়, বড়ই উন্নাসিক
দগ্ধ দুপুরে জানলা দিয়ে তাকালে
ঝাঁ ঝাঁ রোদ্দুরের সাথে আগের মত
আর আসে না পাশে 'রুবি রায়'
.
জোর করে মনে করি কলেজ করিডোর
দোলান খোঁপার সেই সবুজ চঞ্চলতা
পুরোনো ডাইরির পাতা ভাঁজ খুলে
দেখতে থাকি হলদে হয়ে যাওয়া
একান্ত আহ্লাদ...
.
এখন যেন বড্ড বেশী নিশাচর পথিক
নিঝুম রাতে আ্যলজোলামে পেয়ে যাই
বাহুলগ্নার আতিশয্য
.
প্রতিটি শ্রান্ত বিকেলে প্রেমিকার মত
আচরন করে শুধু লেখনীর অভ্যেস