সম্পাদকীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সম্পাদকীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সম্পাদকীয়

 


প্রকাশিত হল সৃজন 'বর্ষা 'সংখ্যা I ভাবছেন এই তো শীতে বর্ষা I সৃজন  সর্বদাই ব্যতিক্রম কাজ করে এসেছে। এই শীতে ও বর্ষাকে আনতে পেরেছে I এবার আসছে প্রখর গ্রীষ্ক I গ্রীষ্মে না হয় শীতের পরশ আনবে সৃজন I গতকাল কলকাতা বইমেলা শেষ হল I আবার সামনের মেলার জন্য সৃজন নতুন ছন্দে সেজে উঠতে চলেছে I কী ভাবে ? তা জানতে হলে সৃ প্রকাশনার ফেসবুক পেজে চোখ রাখতে । খুব ভালো থাকুন সবাই I সৃজনে থাকুন I

রবিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২২

সম্পাদকীয়

                      






জানি এপথের শেষে নেই কোন দিন 


অপেক্ষার শীতকাল ক্রমশ দীর্ঘ হতে হতে বীজ থেকে চারা গাছ হয়

এ স্রোতে যে ভাবে যুবক মাতাল হয় 

পুরানো বারান্দা , ব্যালকনি তাদের মনে রাখে না 

 ভুলে যেতে হয় প্রাত্যহিকতার মাঝে 

উষ্ণ অভ্যর্থনায় 

সরষে'র ক্ষেতে হলুদ ফুলে মিশে বেদনার দানা 
রক্তিম নিঃশ্বাসে মেশে
এভাবে সজনে গাছে'র জন্ম হয় 

সজনে ফুল বলে যাকে জানো সে  আসলে 
ব্যর্থতার নিষেকের অন্তিম অবস্থান



শীতকাল  মানেই হাজারো শব্দ ঘোরা ফেরা করে পৌষের ব্যালকনিতে।খুঁজেনি  অসমাপ্ত কুয়াশা ,যা ঢেকে দেয় স্বপ্নের আঁচল৷ বহুদিন পর শীত উপভোগ করলাম নরম চাদরে ৷ বয়স বাড়ছে মনের ৷ সাথে কলমের৷ কলম আর আগের মত শক্তিশালী নয়৷ ঋণ বেড়ে চলছে সংলাপের৷ আমাদের মধ্যে যা রয়ে গেছে তা কি আদৌ পরিশোধযোগ্য ? কত সম্পর্ক দূরে চলে যায় কত কাছের হয় ৷ মূল্যায়ন হয় না কোন কিছুর ৷কতটুকুই বা আমরা পারি৷ ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাবে ৷  চিহ্ন খুঁজে নেবে পরিসর যা কখনো হবে  না গতিশীল । আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যার ব্যাখা  পাওয়া যায় না বা আমরা চাইও না ৷

ডিসেম্বর আসলেই  খেজুর গুড় ,মোয়া ইত্যাদি ইত্যাদি কথা মনে পড়ে ৷সাথে মেলা ৷ লিটিল ম্যাগাজিন মেলা ,বইমেলা । এই ডিসেম্বরে সৃজন ছয়  বছর অতিক্রম করল ৷ প্রথম দিন থেকে যাদের আমরা পাশে পেয়েছি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা অসংখ্য ৷ 


শীত মানেই পূর্ণতা। পরিতৃপ্তি। ব্যর্থতার প্রলেপ ঢেকে যায় বরফের চাদরে ৷উষ্ণতার অন্বেষণ চলে অহরহ। আর উষ্ণতার কথা উঠলেই কবিতার কথা মনে পড়ে যায়৷ সম্প্রতি কবিতা খুঁজতে গেছি তিস্তার কাছে ৷ দু চোখ ভরে দেখেছি৷ সত্যই হিমালয়ের কন্যা। এত রূপ এত সৌন্দর্য্য ৷ বড় ঈর্ষণীয়। কিন্তু সেও ফিরিয়ে দিয়েছে৷ জানা নেই কখনও ফিরবে কিনা! কিন্তু বইমেলা সংখ্যা আসবেই। প্রতি বছর বইমেলার পূর্বে "আমার সৃজন " মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ পায়৷ কিন্তু এ বছর তা সম্ভব হয়নি। আমাদের যৌনতা সংখ্যা শারদ সংখ্যা আকারে প্রকাশ পেয়েছে৷ তাই " বইমেলা সংখ্যা " অনলাইনে প্রকাশ ৷ নতুন বছর সবাই ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।

সম্পাদক ও প্রকাশক
সৃজন ও সৃ প্রকাশন
পারমিতা চক্রবর্ত্তী
যোগাযোগের ঠিকানা - ২৩ ,বিপিন গাঙ্গুলী রোড ,কলি - ৭০০০৩o 
আমার wp নম্বর
9432756917

অলংকরণ : দীপন বোস

রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সম্পাদকীয়

             


বর্ষার ঝিরিঝিরি বৃষ্টির রেশ কাটিয়ে ফুটে উঠেছে ছোট ছোট কাশফুল ৷কাশফুল মানেই শরৎ । আকাশে উড়ে বেড়ায় পেঁজা তুলোর ন্যায় মেঘ।ভেসে বেড়ায় ভালোবাসার ধূলিকণা । শরৎ আসা মানেই সৃজন শারদ সংখ্যা প্রকাশ করতে হবে ৷ এই সংখ্যায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নবীন , প্রবীণ লেখকবৃন্দ। সবার সুন্দর সুন্দর সৃষ্টিতে সেজে উঠেছে "সৃজন" শারদ সংখ্যা। 

সকলের লেখা নিজে বসেছি প্রকাশ করার জন্য। প্রচছদ সহকারে একে একে সেজেছে প্রতিটি পাতা। সব শেষে সম্পাদকীয় লেখার পালা৷ কিন্তু বেশ কিছুদিন হল কিছু ভাবতেই পারছি না । কী লিখব সম্পাদকীয়! এত গুণী মানুষের সৃষ্টিতে সেজেছে এ সংখ্যা তার কাছে নিজেকে তুচছ মনে হয়৷আগে ভাবতাম কবিতায় আমি বেশ স্বচছন্দ‍্য ।কিন্তু কালের নিয়মে তাতেও পড়েছে ভাটা । এক সময় কত ভাবনা পাখা মেলে উড়ত। কত স্বপ্ন উঠোনে রোদ পোয়াত। ছোট ছোট ইচ্ছেরা চিনেবাদাম খেতে বেড়ত বিকেলবেলায় ৷ সবই ইতিহাস। সময়ের টানাটানিতে শব্দরা নিঃস্ব। কোথা থেকে শুরু আর কোথায় গিয়ে শেষ তার কোন সীমারেখা ছিল না। কী যে লিখব ভাবতে বসলে হাহুতাস করে ভাবনারা ।

বাসাবদল
বেশ কিছু সময় ফেলে এসেছি 
নিঙড়ানো স্মৃতিগুলোকে সরিয়ে রেখেছি কৌটোয় 
বিস্কুটের মত মিইয়ে গেছে সেগুলো

যেখানে বসে তোমার কথা ভাবতাম
যাবতীয় সংলাপ  তুলে রাখতাম
সেই চেয়ারটা আর নেই জানো 

তুমি  ওই নারকোল গাছের মাথার থেকে আমাকে দেখতে
আমাকে জড়িয়ে ধরতে সোহাগে
বাকিটা ব্যক্তিগত

সেই বাসাটা আজ ছেড়ে আসতে হল
আমি অনেক চেষ্টা করেছি সময়গুলোকে কাঁধে করে আনতে 
কিন্তু পারলাম কই

হয়ত বলবে হারানো মানেই নতুন প্রত্যয়
কিন্তু আমার কাছে হারানো মানেই ক্ষয়
ঋতুযোগে তা বেড়ে চলে 

এখন যেখানে আছি দু হাত দূরত্বে নারকোল গাছের মাথা
তোমার নিঃশ্বাসের কাছাকাছি
আজ আর দূরে থেকো না

এসো ক্ষয় তোমাকে নিবিড় করে পাই
বহুদিন পর ঘুমোতে যাচ্ছি

ঘুম আসে না। চোখ বুজে শুয়ে থাকি৷ চোখ খুললেই অস্বস্তি শুরু হয়৷

মেঘের ইনসুইং হলে 
একটা অবযব ফুটে ওঠে
লম্বা ,সুদর্শন ,কামরাঙা ঠোঁট 
আপনারা বলবেন 
" এই সেলফিশ ন্যাকামিগুলোর কি দরকার?"

আসলে নিজের প্রতি টায়ার্ড  হতে হতে 
কেমন যেন একটা ফাও মনে হয় 
উদ্বৃত্ত 

সত্যি বলতে কী যতবার ইউটার্ন নিয়েছি
একটা হ্যাংলামি পেয়ে বসেছে
কাছে যাবার, নিবিষ্ট হওয়ার
মে বি  ইট ইস রঙ
আসলে" ক্ষয় নেই জাগরণের"
ফেসবুক ঘাটতে গিয়ে কিছু অপশান চোখে আসে
" মৃত্যুর পর এই অ্যাকাউন্টিটিকে কী করতে চান ?"

মুহূর্তে গলায়  একদল দুষ্কৃতী ছুরি মারে 
সিওর ইট ইস কল ট্রমা
 
 জীবনে ন্যাকামির প্রয়োজন আছে
তাকে মান্যতা দিতে গিয়ে দেখা
ক্ষতচিহ্ন জানে তাকে ক্ষমা করতে কতটা ক্লান্তি লাগে 

আর বুঝলাম সব থেকে বড় ন্যাকামি ছিল জীবনে
" তুমি"

তাকে রাইট অফ...




স্বপ্নের মধ্যে আঁশ ঘোরাফেরা করে
চকচক অথচ পিচ্ছল
পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে আসে পেঁয়াজের খোসার মত

ইদানিং তোমাকে দেখিনা সেখানে 
তারাখসা রাতের মত বিক্ষিপ্ত
তুমি 

সেই সব রাতের গল্পগুলো ধীরে ধীরে
তারা হয়ে যায়
মিটমিট করে আঁশের মধ্যে

না আজ আর অন্য কথা নয় । পুজো এসে গেছে৷ আমরা এখন সবাই ভালোবাসার গন্ধ গায়ে মেখে ঘুরি।এই সংখ্যায় যারা লিখেছেন তাদের সবার পক্ষ থেকে শারদীয়ার শুভেচছা।

প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি সৃপ্রকাশন নিবেদিন যৌনতা সংখ্যা খুব শীঘ্রই প্রকাশ পাচ্ছে। " সৃজন" "শারদীয়া" সংখ্যা সেজে উঠেছে অনেক গুণী মানুষের সান্নিধ্যে৷ এই সংখ্যায় নতুন কবিদের কবিতায় ভরে উঠেছে।।"সৃজন" পরবর্তী সংখ্যার নাম " শীত " সংখ্যা । এই পরিস্থিতিতে আমরা উৎসব উপভোগ করব ঘরে বসে কবিতা,গল্পে ,উপন্যাসে। সবাই খুব ভালো থাকুন, সৃজনে থাকুন, আনন্দে থাকুন৷ আমাদের লেখা পাঠান। সৃজন এখন থেকে সাপ্তাহিক ভাবেও কবিতা, ধারাবাহিক গল্প, ভ্রমণ প্রকাশ করতে চলেছে৷ সৃজনে লেখা পাঠানোর ঠিকানা কিন্তু একই আছে তাও ইমেইল আইডিটা আরও একবার  বলে রাখি। srijanblog10@gmail.com ইমেলে আপনি আপনার অপ্রকাশিত লেখা টা পাঠান আমরা আমরা খুব যত্নসহকারে আপনার লেখা প্রকাশ করব। সবাই খুব ভালো থাকুন আরো একবার বলি৷ শুভরাত্রি৷


পারমিতা চক্রবর্ত্তী

সম্পাদক

চিত্রঋণ - মলয় দত্ত

রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১

সম্পাদকীয়

             


স্বাধীনতার ৭৫ বছরে আমরা পা দিয়েছিl স্বাধীনতা আমাদের নিরাপদ করেছে ঠিকই কিন্তু সাবলম্বী হতে শেখায়নি। দেশের গণতান্ত্রকামী মানুষের রক্তে একদিন স্বাধীনতা এসেছে। তাঁরা চেয়েছিলেন আমাদের দেশকে  নিরাপদ ভাবে রেখে যেতে। সঠিক গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে।তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন স্বাধীন দেশে জল ,হাওয়া গ্রহণ করে৷কিন্ত বর্তমান প্রজন্ম বুঝলই না যে কত শহীদের রক্তে, কত ব্যথায় এই স্বাধীনতা এসেছে। স্বাধীনতা মানে মুক্তি৷ স্বাধীনতা মানে উল্লাস। স্বাধীনতা মানে স্বাধীন চিন্তা ও মনন। সেখানে থাকবে না কোনো অন্ধকার, মলিনতা৷ থাকবে  শুধু আলো। বেঁচে থাকার রসদ৷

আমাদের ভাবনার,চেতনায় যেন কখনও শিথিলতা না আসে।মন উড়ে যায় বিহঙ্গের মত ! আমাদের চেতনা আমাদের শরীর থেকে দূরে নিয়ে যায়৷ আমরা উপলব্ধি করি স্বাধীনতার মন্ত্র।

কিন্তু এই ৭৫ বছরের স্বাধীনতায়  এসে আমরা কী স্বাধীন হয়েছি ৷আজও বহু কন্যা ভ্রুণ হত্যা হয় কিংবা কন্যা শিশুকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে চলে যায়। নারী ধর্ষিত হয় কিংবা কন্যা শিশু ধর্ষিত হয়। এ কোন স্বাধীনতা ! যা আমাদের শিকড়চ্যূত করে ৷মহিলাদের ডায়নী আখ্যা দেওয়া হয়। স্বাধীনতা কথাকে বিশ্লেষণ করলে দেখব স্ব - অধীনতা অর্থাৎ নিজেকে স্বাধীন করা। আমরা স্বাধীনতা কথার অর্থ সম্পূর্ণ রূপে মননে,চিন্তনে প্রবেশ করাতে পারিনি। আর এটাই আমাদের সীমাবদ্ধতা। এই সীমাবদ্ধতা ছেড়ে যত সহজে  আমবা  বেরোব ততই জাতির উন্নতি ৷ আমরা যত এগোব দেশও তত এগোবে৷ এই ভাবনা থেকে যত মুক্ত হব ততই উন্নত হব।

আজ ১৫ ই আগস্ট ।তাই এই সংখ্যার বিষয় স্বাধীনতা ও মনন৷"সৃজন " সর্বদাই বিষয়ভিত্তিক করে । আর এই বিষয় নির্বাচনে সর্বদা স্বকীয়তার দাবী রাখেl "সৃজন "" স্বাধীন চেতনা ও মনন " সংখ্যায় যারা কলম ধরেছেন সবাইকে ধন্যবাদ ।সৃ প্রকাশনের একটি শাখা " সৃজন" অপরটি " আমার সৃজন" ৷ আমার সৃজন মুদ্রিত সংখ্যা। আমার সৃজন শারদীয়া সংখ্যার বিষয় " যৌনতা " ৷যেটি প্রকাশ হবে শীঘ্রই। সবাই খুব ভালো থাকুন ,সৃজনে থাকুন।

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদক 

চিত্র- জয়ীতা ব্যানার্জী 

রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

সম্পাদকীয়


 

জীবনকে শুরু করার দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকে না কিন্তু তাকে সুন্দর ভাবে চালানোটা অনায়াসেই পারি । শুধুমাত্র নিজে বাঁচাটাকেই কী বাঁচা বলব ! জীবন তো একটাই । সবার সাথে মিলেমিশে বেঁচে থাকাটা খুব  কঠিন কী ?


একটা জীবনে শুধুমাত্র ক্রোধ ,হিংসা ,পরচর্চা , নিন্দা প্রাধান্য পাবে ! ভালোবাসা , নির্ভরশীলতার তো স্থান থাকা উচিত ৷ আত্মসমালোচনা করাটা দরকার খুবই ৷


আমরা সকলেই নিজেদের জীবনে ব্যস্ত ৷ আমি কী কিংবা আমার কী আছে তা জানানোর থেকে আমি জীবনকে কতটা সুন্দর ভাবে চালিয়ে নিয়ে যেতে তা গুরুত্ব পাওয়া উচিত 

নিজের  কাছে ৷ কাউকে অপমান ,কষ্ট দেওয়ার থেকে সহজ কাজ সত্যিই বোধহয় পৃথিবীতে নেই ৷ কিন্ত যে অপমান করছে অন্যকে সে ভেবেও দেখে না তাকে কতটা কদর্য দেখাচ্ছে ৷ ইদানিং অনেক মানুষকে বলতে শোনা যায় ভালোবাসার থেকে ঘৃণা শ্রেয় !



কারণ একটাই ভালোবাসার মধ্যে অনেক মুখোশ লুকিয়ে থাকে ! ঘৃণাকে কখনই সে মুখোশ পড়তে হয় না I সময় আমাদের খুব কম l বাঁচার মত করে  বাঁচা  এবং অন্যকে বাঁচতে সাহায্য করা ৷ হতাশা থাকবেই ৷ কিন্তু তা যেন দীর্ঘস্থায়ী না হয় ৷ আমি আপনার জীবনদর্শনের  প্রেরণা  না হতে পারি কিন্তু আপনি হতে পারেন আমার প্রেরণা ৷ আপনি যে ভালো আছেন সেটা দেখতে ভালোলাগে কারোর কারোর ৷


ভালোবাসায় থাকাটা নিজেকেই অভ্যাস করতে হয় ৷ নিজের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে জানতে হয় তার জন্য পড়াশুনা লাগে না ; লাগে মন ৷ 

তাকে কাঁটামুক্ত করে দুটো হাত বাড়ান দেখবেন অনেক হাত এগিয়ে এসেছে ৷


জীবনের এই চলার পথটুকুতে চিরকাল বৃষ্টি ঝরে 


বর্ষা 


বর্ষা নামুক এ নিসঙ্গ দ্বীপে 

ভেসে যাক হৃদয়ের পথ ঘাট 


আদিমতা আসুক তোমার ,আমার দেহে 

বয়ে যাক প্রাচীন  অন্ধকার


ভালোবাসার জন্য আমাদের নিজেদের উজাড় করে দিতে হয় 



উষ্ণার্ত নাবিক 



হৃদয়ের কাছাকাছি যত পৌছাই 

একটা নিঃশ্বাস বের হয়

তীব্র অভিমান জমা হয়

অস্থিমজ্জা জুড়ে

আলাদা স্বাদ লাগে রক্তের 

কোথায় এ উষ্ণার্ত নাবিক 

আরো আগুন দাও !



এক সময় 


 ভাবতে অবাক লাগে !


 

একসময়

মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক ভুলগুলো জমা রেখেছিলাম 

হঠাৎ তারা গাছ হয়ে ওঠে 


ডালে ডালে ঋতু জমাট বেঁধে  

থাকে 

বসন্ত বাউড়ি খুঁটে খুঁটে খায়

উড়ে এসে বসে  বারান্দা বাগানে 

কিছুটা বসন্ত ফেলে যায়

আমি তুলে রাখি 

বোতালে 

ছাই হয়ে ওঠে


কবিতা আমার নিঃশাস৷কবিতা আমার অনুপ্রেরণা।বেঁচে থাকার অঙ্গীকার । তাই জীবনে যেন আরো বেশী কবিতা নামুক সেই প্রার্থনা করি । জৈষ্ঠ্যর শেষে  আষাঢ় আসুক কবিতার ছত্রে ছত্রে৷ 

প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি সৃপ্রকাশন নিবেদিন যৌনতা সংখ্যা খুব শীঘ্রই প্রকাশ পাচ্ছে। " সৃজন" বর্ষা সংখ্যা সেজে উঠেছে অনেক গুণী মানুষের সান্নিধ্যে৷ এই সংখ্যায় নতুন কবিদের কবিতায় ভরে উঠেছে।।"সৃজন" পরবর্তী সংখ্যার নাম " উৎসব " সংখ্যা । এই পরিস্থিতিতে আমরা উৎসব উপভোগ করব ঘরে বসে কবিতা,গল্পে ,উপন্যাসে। আমাদের উৎসব সংখ্যার  জন্য আমরা খুব শীঘ্রই লেখা চাইব। আপনারাও উৎসব সংখ্যায় লেখা দেওয়ার জন্য সবাই তৈরি হন। সবাই খুব ভালো থাকুন, সৃজনে থাকুন, আনন্দে থাকুন৷ আমাদের লেখা পাঠান। সৃজন এখন থেকে সাপ্তাহিক ভাবেও কবিতা, ধারাবাহিক গল্প, ভ্রমণ প্রকাশ করতে চলেছে৷ সৃজনে লেখা পাঠানোর ঠিকানা কিন্তু একই আছে তাও ইমেইল আইডিটা আরও একবার  বলে রাখি। srijanblog10@gmail.com ইমেলে আপনি আপনার অপ্রকাশিত লেখা টা পাঠান আমরা আমরা খুব যত্নসহকারে আপনার লেখা প্রকাশ করব। সবাই খুব ভালো থাকুন আরো একবার বলি৷ শুভরাত্রি৷


পারমিতা চক্রবর্ত্তী

সম্পাদক


চিত্রঋণ :জয়িতা ব্যানার্জি

রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০

সম্পাদকীয়

           .                           

যদি মায়াজন্ম পাই তবে যেন আবারও মা হতে পারি৷সারা বিশ্ব খুঁজলেও মা'র মতন শক্তিশালী সম্পদ মিলবে না ৷যখন চোখ ফোটে আমাদের ,কিছু বলতে ,বোঝাতে পারি তখন একমাত্র মা বোঝেন তার সন্তানটির চাহিদা ৷সন্তানদের মনের খবর একমাত্র জানে মা । মা হলেন এমন  এক প্রজাতি যা প্রকৃতির দেওয়া সর্বশ্রেষ্ট উপহার।প্রকৃতির জল, হাওয়ায় মা বড় হয়৷ নারী , পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মধ্যে যেমন  মা বেঁচে থাকে তেমন সকল জীবজগতে মা থাকে ৷ একটি গরু যখন সন্তান প্রসব করে তখন বাছুরটি বার বার দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আর পড়ে যায় ৷ মা তখন অতি যত্ন করে দুধ খাওয়ায় তাকে ৷কুকুরের ছানা,বিড়াল ছানা তারা তাদের সন্তানকে নিরাপদ স্থানে রেখে আসে I যদি মা তাদের সন্তানদের খুঁজে না পায় পাগোলের মত করতে থাকে৷ চারিদিক খঁুজে খুঁজে সন্তানদের আবিষ্কার করে৷পাখিরা সকালবেলায় বাসা থেকে  বেরানোর আগে সন্তানদের নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে যায় ৷ 


আত্মরক্ষা করা সকল জীবকূলের মা'র একটা জিনগত বৈশিষ্ট্য বলা যায়৷পৃথিবীর সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা থেকে সন্তানদের রক্ষা করা তার কাজ ৷ যে ভাবেই হোক নিজের সন্তানের মাধ্যমে অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখে একজন মা।সকল প্রকার বর্হিশক্তি থেকে সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখাটা একটা চ্যালেঞ্জ৷একটা পিঁপড়ে মরে যাওয়াকে ভয় করে৷ প্রকৃতি এভাবেই সৃষ্টি করছে জীবজগৎকে৷আর সেই ভাবে গড়ে তুলেছে জীবজগতকে৷প্রত্যেকটা জীবকে এমন ভাবে তৈরী করেছে যাতে ঝড় বৃষ্টি প্রাকৃতিক সকলপ্রতিবন্ধকতা থেকে রক্ষা পায় ৷ প্রকৃতি.মানেই মা ৷ সে চায় তার সন্তান বেঁচে থাক ৷ হরিণ যখন বাঘের শিকার হয় তখন প্রাণপণ বাঁচিয়ে রাখতে চায় শাবককে ৷ আর মনুষ্য জাতির মধ্যে এরও ব্যতিক্রম হয় না৷তাই তো কয়েকশ বছর পরও মাটির তলায় চাপা পড়া ধ্বংসাবশেষে দেখা যায় এক জন পা তার সন্তানকে মাথায় করে  রখেছেন৷অর্থাৎ ধ্বংস হবার আগের  মুহূর্তে মা তার সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখেন৷ঠিক যেমন ঝড় ওঠার আগে পাখিরা তার সন্তানদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেয়৷ 


"আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" I এই দাবী যে শুধু মা করেন তা নয়। বাবাও করেন ৷পৃথিবীর সকল বাবার মধ্যে মা লুকিয়ে থাকে৷মা মানে স্নেহের ছায়া I একটা আড়াল।যে কিনা সকল প্রকার আদর ,আসকারা দিয়ে বড় করে তুলবে৷ নিজে না খেয়ে সন্তানের জন্য রেখে দেওয়া এটা সকল জীবজগৎ করে রাখে৷ বাঘ তার সাবকের জন্য খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে৷ঘরে চাল বাড়ন্ত থাকলে মিথ্যে ঢেকুর তুলে মা এক গ্লাস খেয়ে শুয়ে পড়েন৷ এই চিত্র আমাদের পরিচিত৷ পাড়ার কুকুরকে যখন খেতে দেওয়া হয় সে মুখে বাচ্চাদের সেখানে নিয়ে আসে৷ পোকামাকড়দের মুখে করে খাবার নিয়ে যেতে দেখা যায়৷

সঞ্চয় শব্দটার উৎপত্তি পৃথিবীর সকল মার থেকে ৷ তাই অন্নপূর্ণাকে সারা জীবন সন্তানদের  দুধ , ভাতের অভাব থাকবে না এই বর দিতে হয় ৷ সঞ্চয় মানেই ভবিষ্যত ৷ তুলে রাখা উত্তরাধিকারদের জন্য ৷

মা মত করে ভালোবাসার
কেউ নেই 
পৃথিবীতে তাই আজও 
মা'র কোন প্রতিশব্দ নেই

আমাদের জীবন, আমাদের চেতনা সবই গড়ে তোলেন মা ৷ বাবা আর্শীবাদ করেন ," বড় হও ,মানুষ হও৷" মা বলেন, " ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক ৷ তিনি তোমাকে আশীর্বাদ করুন৷"মা চান তার সন্তানেরা যেন সর্বদা ঈশ্বরের শুভাশিসে থাকেন।আমাদের দুঃখ ,কষ্ট অনুভব প্রথম মা করতে পারেন৷তাঁর চোখে এড়ায় না কখনও।

দুঃখ বেদনা ,গ্লানি 
ধুয়ে, মুছে যায়
একটি মাত্র শব্দে
"মা" 

"মা " শব্দের মত পবিত্র শব্দ অভিধানে নেই৷সারদা মাকে ঘিরে সারা বিশ্বে উন্মাদনার শেষ নেই৷তিনি গর্ভে ধারণ না করলেও জগতের মা ৷কোটি কোটি মানুষ তাঁকে মা বলে ডাকেন৷
এক বার জয়রামবাটিতে দুর্ভিক্ষের সময় ক্ষুধার্তদের গরম খিচুড়ি বিতরণ করার সময় (তখন মা সারদার অল্প বয়স) তাঁর মধ্যে প্রকৃত জনসেবা করার রূপটি ফুটে উঠেছিল। ওই গরিব মানুষদের পাশে বসে হাতপাখায় তাদের বাতাস করে দিয়েছেন। ওই মানুষগুলো তখন মায়ের পরম স্নেহ পেয়ে আনন্দে মত্ত হয়ে উঠেছিল। অভাব, জ্বালা, যন্ত্রণা ভুলে সকলেই একাত্ম হয়েছিল সে দিন। আর মা সারদার এমন আচরণের নজির নানা উপলক্ষে রয়েছে একাধিক।আমরা মায়ের এক ভক্ত আমজাদের কথা স্মরণ করতে পারি। নিজের হাতে তাকে খেতে দিয়েছিলেন, এমনকী খাওয়া শেষে এঁটো থালা পরিষ্কার করতেও তাঁর কোনও দ্বিধা ছিল না। আমজাদের পরিচয় সম্পর্কে মাকে মনে করিয়ে দেওয়ায় তিনি বলেছিলেন, ‘আমার শরৎ যেমন ছেলে, ওই আমজাদও তেমন ছেলে’। শরৎ, অর্থাৎ পরবর্তী কালে স্বামী সারদানন্দ মহারাজ। এই সামান্য ঘটনাটির তাৎপর্য মোটেও সাধারণ নয়। 

সুতরাং মা হলেন সকল প্রকার ধর্মীয় ভেদাভেদ, হিংসা ,লোভ ,ক্ষমতা সব কিছুর উর্দ্ধে ৷অনেকে ভাবেন মা মানে নারী ৷কিন্তু তা নয় ৷একজন পুরুষের  মধ্যে মা বেঁচে থাকে৷ আমর তাকে অনুভব করতে পারি না ৷ মা মানে নিরাপদ আশ্রয় ৷ যার ছায়ায় বসে বিশ্রাম নেওয়া যায়৷ ভালোবাসার আর এক শব্দ মা৷

সৃজন এই সংখ্যায় থাকছে উপন্যাস, প্রবন্ধ ,গল্প কবিতা ৷ পড়ুন সবাই৷ সৃজনে থাকুন ।

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদক




চিত্রঋণ - জয়িতা ব্যানার্জী

শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

সম্পাদকীয়


সারা বিশ্ব আজ ভয়ংকর পরিস্থিতির শিকার৷প্রতিদিন সংবাদমাধ্যম যে সংখ্যাতত্ত্ব দিচ্ছে তাতে আশঙ্কা বেড়েই  চলেছে আমাদের Iসারা বিশ্ব এক মারণ ব্যাধির স্বীকার ৷ সংক্রমণ আমাদের জীবনকে চার দেওয়ালের  মধ্যে বন্দী  করেছে I আমরা এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে চলছি যখন সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হচ্ছে ৷ বৈশাখ মাস আমাদের কাছে উৎসবের মাস । রবীন্দ্রনাথ ,নজরুলের জন্মমাস ৷এনারা আমাদের জীবনের কঠিন সময়কে সহজ করে তুলেছেন ৷
" তুমি নির্মল করো মঙ্গল করো মলিন মর্ম ঘুচায়ে "
সত্যি আমারা সবাই যেন নির্মল থাকতে পারি ।আমাদের ভাবনাগুলো যেন সর্বদা হাওয়ায় উড়ে বেড়াতে পারে ৷ বন্দীদশায় কাছে এনে দিয়েছে সম্পর্কগুলোকে ৷ স্বামী -স্ত্রী ,বাবা - মা , কন্যা - পুত্র ,ভাই - বোন সম্পর্কগুলোকে যেন এক ছাদের তলায় এনে দাঁড় করিয়েছে ৷সংক্রমণ না হলে বোঝা হত না কত কথা ! কত যন্ত্রণাকে উপশম দিয়েছে ৷ এই যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতিতে একদল মানুষ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে চলেআর কাছে হাসপাতাল ,থানা , রাস্তায় ।কুর্নিশ তাদের ৷ সারা বিশ্ব অবশেষে একটি বিষয়ে সমবেত হতে পেরেছে ৷ দেরীতে  হলেও আমরা বুঝেছি সারা পৃথিবীকে সকলের বাসযোগ্য করে তুলতে হবে ৷ কীট ,পতঙ্গ , পশু ,মানুষ সবাই আমরা একসাথে চলতে পারি ৷ 

আমাদের জীবনে দূষণ ওতপ্রোত ভাবে জড়িত I এই সংক্রমণের জেরে দূষণের মাত্রা কমে গেছে Iপৃথিবী যেন আবার স্বমহিমায় ফিরে এসেছে ৷ ব্যস্ততম পৃথিবী শান্ত হয়ে গেছে পূর্বের মত Iকিন্তু সময় এগিয়ে চলছে ৷আর এই সময়ের ভূমিকায় অন্যতম মাধ্যম হয়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ৷ বিশ্বের এই কঠিন সময়ে মনকে আরাম দেওয়ার জন্য সৃজন চলে এসেছে আপনাদের পিছুপিছু ৷জোর করে লিখিয়ে নিচ্ছে কবি ,লেখকদের দিয়ে ...

এ সময়ের তোড়ে বয়ে চলে 
আগামীকাল
দূরত্ব নয় 
আমরা বরং মিলে মিশে থাকি 

কোয়ারিন্টিন জীবনে আমিটুকু 
যেন দিয়ে যেতে পারি 
বিশৃঙ্খল দিনলিপি লেখা থাকে সময়ের কুলুঙ্গীতে ...

আমাদের এই সংখ্যাতে আছে উপন্যাস ,গদ্য ,কবিতা ,গল্প ,অণুগল্প ইত্যাদি ৷ লিখেছেন মলয় রায়চৌধুরী ,স্বপন রায় ,তুষ্টি ভট্টাচার্য ,যুগান্তর মিত্র ,জয়তী রায় তথা লেখকেরা ৷সবাই সৃজনে থাকুন ,ভালোবাসায় থাকুন ।আমরা সবাই সংক্রমণ মুক্ত পৃথিবীতে একসাথে হাঁটব ৷ 

সম্পাদক
পারমিতা চক্রবর্তী 

মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯

সম্পাদকীয়


চারিদিকে শুধু শীত শীত ভাব ৷ কুয়াশা ঘেরা সকালে এক কাপ চায়ে চুমুক দিতে দিতে মনে পড়ে তোমার কথা ।শীতের পরশ প্রথম যখন গায়ে মাখি তখন মনে পড়ে তোমার কথা ৷জানলায় গাছের শিশিরের দিকে যখন তাকাই তখন মনে পড়ে  তোমার চুলের জলের কথা ৷কমলালেবুর খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে মনে পড়ে তোমার গায়ের গন্ধের কথা ।ঠোঁটের কোণে লিপবাম লাগাতে লাগাতে মনে পড়ে তোমার প্রথম চুম্বনের কথা ...

ইদানিং সবকিছুতেই শুধু তোমাকে মনে পড়ে ...

হে পরম  পৌষ
আলিঙ্গন করো  সারা শরীর
মেতে উঠুক পরম উষ্ণতা

ধুলো মেখে থাকে অতৃপ্ত চাহিদা
আরো আরো কাছে এসো
জড়িয়ে ধরো হাতখানি
চোখে চোখ কথা হোক

পশম ছড়িয়ে দিক উর্বর স্তনে
আজ না হয় এটুকুই ...


  • না ! সৃজনকে ভুললে আপনাদের  কোন  মতেই চলবে না ৷দেখতে দেখতে "সৃজন ". চার বছর অতিক্রান্ত হতে চলল ৷আপনাদের ভালবাসা, আপনাদের চাহিদায় সৃজন আজ এতটা পথ হেঁটে এসেছে ৷ আরো অনেকটা পথ হাঁটা বাকি ।তার জন্য চাই আপনাদের আরো আরো বেশি ভালোবাসা আরো বেশি দায়বদ্ধতা ৷" সৃজন "  আপনাদের কাছের  হয়ে উঠুক ৷ইংরেজি নতুন বর্ষ আপনাদের ভালোবাসা ছড়িয়ে দিক এই কামনা করি ৷



পারমিতা  চক্রবর্ত্তী
সম্পাদক

আমাদের লেখা পাঠান এই আইডিতে srijanblog10@gmail.com 

শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯

সম্পাদকীয়


বেশ কয়েক মাস বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে সৃজন ৷ ফ্রেবুয়ারি মাসে "সৃজন " প্রকাশ হয়েছিল | কেটে গেছে ৩ মাস ৷ ইতিমধ্যে প্রকাশ হয়েছে আমার সৃজন পত্রিকার" নস্টালজিয়া কলকাতা "সংখ্যা ৷ মুদ্রিত সংখ্যা ও ব্লগ দুটো একসাথে চালাতে আমি অক্ষম ছিলাম ৷ সত্যিই এর ক্ষমাপ্রার্থী Iগ্রীষ্মের গুমোট এখনও কাটেনি ৷তবুও " সৃজন " হাজির বর্ষা সংখ্যা নিয়ে ।


ইদানিং ভাবনা চিন্তার অবসর হয় না ৷কিছু লিখতে ,পড়তে ইচ্ছা করে না ৷ তাই ১৫ দিন ধরে ভাবছি সম্পাদকীয় কী লিখব ! মস্তিষ্কের উর্বরতা কমে গেছে ৷ নতুন কোন ভাবনাই আসে না ৷  মস্তিষ্ক বার্ধক্যজনিত রোগগ্রস্থ l সত্যি বলতে কী খুব কষ্ট হয় ৷ না লিখতে পারার কষ্ট ৷  কবিতা আমার ঈশ্বর ছিল ৷ সেও ছেড়ে চলে গেছে আমার জীবন থেকে ৷ ইদানিং ঘুমের মধ্যে দুস্বপ্ন দেখি ৷ হারাবার । আমার কলম চুরী হয়ে গেছে ! কে যে নিল ... খুঁজে পাই না ৷ খাতার সব পাতা শেষ ...

পাহাড় ,সমুদ্র যেখানেই যাই অস্বস্তি লাগে I
কবিতার সামনে এনে দাঁড় করায় ৷কিছু তো করবার নেই ৷ কলম , খাতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ৷ জানি না কবে শেষ হবে নির্বাসন ৷ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা শৃঙ্খল ভেঙে চুড়ে একাকার ৷ 


কিন্তু তবুও সৃজন থেমে থাকবে না ৷ এগিয়ে নিয়ে চলবে গুণী ,সৎ পাঠক ও লেখক সাধারণ ৷ 'আমার সৃজন ' আবার মুদ্রিত আকারে আসতে চলেছে ৷ এই সংখ্যার বিষয় "নারী "৷ সবাই ভালোবাসায় থাকুন , সৃজনে থাকুন ৷ 

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদিকা 

বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৯

সম্পাদকীয়



"There is no friend as loyal as a book"

বই হল প্রকৃত বন্ধু ৷আমাদের জীবনে এমন অনেক বন্ধু থাকে  যারা কোন না কোন সময় আমাদের ছেড়ে চলে যায় কিন্তু বই হল এমন বন্ধু যা কোনদিনই আমাদের সাথে থেকে চলে যায় না । বর্তমান সময় যখন মানুষের মধ্যে বই পড়ার প্রবণতা কমে যাচ্ছে তখন এমন একটা সংখ্যা করার উদ্যোগ আমরা নিয়েছি ৷ বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা বইয়ের পরিবর্তে ভিডিও গেম ,টিভি প্রভৃতিতে সময় কাটায় ৷বই পড়ার মনষ্কতাই কমে যাচ্ছে আজকের সময়ে ৷
কিভাবে বাড়ানো যাবে এই উদ্যোগ তা জানা নেই ৷

অনেকেই বলে থাকেন তেমন লেখক কিংবা কবি  তৈরী হচ্ছে না যার বা যাদের বই পড়ে আমাদের পড়ার রসনা তৃপ্তি লাভ হতে পারে  ৷ আমাদের পরিবেশ পরিস্থিতি  আমাদের পরিশ্রম বিমুখ করে তুলেছে ৷ ব্যক্তি আমি এই মতবাদে বিশ্বাসী নই ৷ তার জলন্ত উদাহরণ হল " কলিকাতা লিটিল ম্যাগাজিন লাইব্রেরী ও গবেষণা কেন্দ্র " এই লাইব্রেরীতে প্রায় ৮০ হাজারের মত বই আছে ৷আছে বহুকালের পুরানো পুঁথি এবং তথ্য ৷ যা দিয়ে দেশ বিদেশ থেকে গবেষণা করতে আসছেন গবেষকরা  ৷ বই এখনো আমাদের পথ দেখায় ৷উৎকৃষ্ট মানের বই আজও হচ্ছে ৷
 " আমার সৃজন " দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যাটির নাম তাই " বই সংখ্যা " রাখা হয়েছে ৷


পূর্ণিমার রাত ৷ আলগা বাতাসে  উড়ে যাচ্ছে যাচ্ছে সুপারী গাছের খোলা বুক বেয়ে  ৷ চারিদিক তখন নিস্তব্ধ ৷জোনাকীর ঝিঁঝিঁ আওয়াজে হেসে ওঠে নীরবতা ।রূপোলী আলোয় ম্লান দেখায়  ঠাকুরদালানের সামিয়ানা  ৷ ঠাকুরদালানের চারিদিকে
  পড়ে থাকে কাচের টুকরো  ৷ পিছনের কাছারি বাড়ির পাশ থেকে তখনও ভেসে আসছে গানের আওয়াজ ৷ লাল অালতা মাখা পায়ের ছাপ সারা উঠোন জুড়ে ...

আপনাদের ভালোবাসায় এই পত্রিকা এগিয়ে চলেছে খুব দ্রুত ৷ " আমার সৃজন" শব্দ স্পর্শ সাহিত্যের সাড়া উঠোন জুড়ে ৷আসন্ন বইমেলা ও লিটিল ম্যাগাজিন মেলায় সবাইকে স্বাগত ৷সবাই বই কিনুন ও বই পড়ুন ৷ সৃজনে থাকুন সবাই ৷আমাদের বই সংখ্যাটিতে  কলম ধরেছেন অনেক গুণী মানুষ
সম্পাদিকা
পারমিতা চক্রবর্ত্তী

সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮

সম্পাদকীয়



সম্পাদকীয় 

মরমী বুকে আহ্বান করি পৌষের ভরা শীত 
এসো প্রিয়তম
সঙ্গমকালে জড়িয়ে ধরি পশমের নিঃশ্বাস 
ঈশ্বরীয় রসে ভরে যাক শরীর 
আর কোন যুক্তাক্ষর নয়
সম্পূর্ণ চিত্র তৈরী হোক আমাদের 


শীতকাল  মানেই হাজারো শব্দ ঘোরা ফেরা করে পৌষের ব্যালকনিতে ।খুঁজে নি  অসমাপ্ত কুয়াশা ,যা ঢেকে দেয় স্বপ্নের আঁচল ৷ বহুদিন পর শীত উপভোগ করলাম নরম চাদরে ৷ বয়স বাড়ছে মনের ৷ সাথে কলমের ৷ কলম আর আগের মত শক্তিশালী নয় ৷ ঋণ বেড়ে চলছে সংলাপের ৷ আমাদের মধ্যে যা রয়ে গেছে তা কি আদৌ পরিশোধযোগ্য ? কত সম্পর্ক দূরে চলে যায় কত কাছের হয় ৷ মূল্যায়ন হয় না কোন কিছুর ৷কতটুকুই বা আমরা পারি ৷ ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাবে ৷  চিহ্ন খুঁজে নেবে পরিসর যা কখনো হবে  না গতিশীল । আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যার ব্যাখা  পাওয়া যায় না বা আমরা চাইও না ৷

ডিসেম্বর আসলেই  খেজুর গুড় ,মোয়া ইত্যাদি ইত্যাদি কথা মনে পড়ে ৷সাথে মেলা ৷ লিটিল ম্যাগাজিন মেলা ,বইমেলা । এই ডিসেম্বরে সৃজন দুই  বছর অতিক্রম করল ৷ প্রথম দিন থেকে যাদের আমরা পাশে পেয়েছি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা অসংখ্য ৷ আমারা প্রকাশ করেছি সৃজনকে  মুদ্রিত আকারে ৷যার নাম " আমার সৃজন 
"সম্প্রতি প্রকাশ হতে চলেছে বই সংখ্যা ৷ ১৩ জানুয়ারি প্রকাশ পাবে বই সংখ্যা লিটিল ম্যাগ মেলায় ৷ আপনাদের ভালোবাসার হাত ধরে আমরা আরো অনেক পথ এগোতে চাই ৷সবাই সৃজনে থাকুন , ভালোবাসায় থাকুন ৷


সম্পাদিকা 
পারমিতা চক্রবর্ত্তী
ঠিকানা - ২৩ ,বিপিন গাঙ্গুলী রোড ,কলি - ৭০০০৫o 

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮

সম্পাদকীয়


প্রতিদিন সকালে উঠেই ভাবি নতুন ভাবে শুরু করব । আসলে নতুন কি তা ভুলেই গেছি বহুদিন আগে ৷ নতুন মানে পুরানোকে  পরিত্যাগ । আর এই পরিত্যাগ শব্দটির মধ্যে তীব্র আপত্তি লুকিয়ে থাকে ৷ যা কিনা ব্যবহার্য , প্রতিদিন যার প্রতি স্পর্শে স্বীকয়তা টের পাই তাকে বর্জন করতে হৃদয়ের কোন স্তরে যে ব্যথা অনুভব করি তা বোঝাতে পারব না  । পুরাতনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বরাবরই  ছিল বা আছে ৷ " যদি পুরাতন প্রেম ধরা দেয় নবপ্রেম জালে ..." হ্যাঁ সত্যিই নবপ্রেম আসে পুরাতনের হাত ধরে ৷ ভেসে যায় সুরেলা সংলাপ ...


আমরা সকলে নতুনের আবাহন করে থাকি কিন্তু পুরাতন , জরা জীর্ণ নিয়ে একদম ভাবি না ৷ বাড়ির পুরানো আসবারকে যেমন ফেলে রাখি  অযত্নে , ধুলো বালি মাথা পথে ৷ পুরানো মানেই অবহেলা, অপেক্ষা । তাই নতুনের প্রতি অনীহা ৷আর এই নতুন পুরাতনের দ্বন্দ্বে আসে ভাঙন ৷ভেঙে যায় সময়ের বাঁধ । দুকূল প্লাবিত হয় ৷ ফিরে ফিরে আসে স্মৃতির মলিনতা ৷ যা আমার তা আমার নয় যা আমার হবার ছিল তা হবে না কোনদিনই ৷এই সময়ের স্রোতে পালতোলা নৌকায় হারিয়ে যায় বিচ্ছেদ্য ব্যবহার ৷


কিন্তু হারিয়ে যাবে না " সৃজন " কোনদিনই ৷ নতুন পুরাতনের অবিচ্ছেদ্য মিলবন্ধন " সৃজন " ৷ যুক্ত হন আপনিও I লেখা পাঠান আপনিও I 

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদিকা 

মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই, ২০১৮

সম্পাদকীয়

"জীবন খাতার প্রতি পাতায় যতই লেখো হিসাব নিকাশ কিছুই রবেনা
লুকোচুরির এই যে খেলায় প্রাণের যত দেওয়া নেওয়া পূর্ণ হবেনা" 

জীবন মানেই খোলা খাতা ৷কিছু কথা থেকে যায় কিছু শেষ হয়ে যায় কিছু লেখা হয় না কোনদিনই ৷ এই খাতার রঙ হলুদ , সাদা কিংবা কালো হতে পারে ৷ শৈশবকাল থেকে যার রচনা সূচিত হয় সেই দাগ ঢেউয়ের উজান বেয়ে কোথায় যে গিয়ে শেষ হবে তা জানা নেই কারোর ৷ এক জীবনে বোধহয় কারোর দেওয়া নেওয়া সম্পূর্ণ হয় না ৷ বোধহয় না কখনই পরিপূর্ণতা পায় না দেওয়া নেওয়ার হিসেব ৷ যা পেলাম তা কতটুকু আমার ৷ কিংবা যা আমার তা সত্যিই কি আমার ! কোনদিন আমার ছিল , কখনও আমার হয়েছে । জোর দিয়ে বলাটা সত্যিই বড় কঠিন । এই শাক ,ভাত মাখা জীবনে কোন কিছুর জোর যেন পাওয়া যায় না ৷ জীবনের চোরাপথ দিয়ে হেঁটে যায় কিছু দেওয়া নেওয়ার হিসাব ৷ 


কতটুকু হাঁটব আর কতটুকুই বা বাকি এটা বুঝতে বুঝতে লেগে যায় সমস্ত জীবন ৷তবুও বোঝা হয় না কিছু ৷বোঝা বা ভার ৷ এ বড় কঠিন বস্তু I নিজে এর দায় বহন করা কঠিন আবার অন্যকে দিয়ে তার নিষ্কৃতি নেই I পুরোটাই জং ধরা তালায় সবুজ গাছের উত্থান । জং খুলতে খুলতে গাছ বড় হয়ে যায় । ধার বাকি জীবনে সবই ইতিহাস ভুলে ভবিষ্যতের হাত ধরে চলা ৷ কিন্তু ভবিষ্যত কি তা কি আমরা জানি কিংবা ভবিষ্যতকে সুনিশ্চিত করতে পারি ৷ বোধহয় না ৷ এই লুকোচুরি চলে নিরন্তর ৷ তার আড়ালে চলে দেখা না দেখার আদর । সোহাগ । নরম ছোঁয়ায় হিসাবের গড়মিল হয়ে যায় । কিন্তু তবুও পথ চলতে হয় ৷ আমাদের নামতা পড়া জীবনে একঝলক  খুশির ছোঁয়া নিয়ে আসে " সৃজন " । 

"সৃজন" আপনাদের একমাত্র আপনাদেরই ৷ যে ভাবে সৃজনের পাশে ছিলেন তেমনই থাকুন ৷ ভালোবাসায় থাকুন I সৃজনে থাকুন Iলেখা পাঠান আমাদের ইমেইলে ৷ 

শনিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৮

সম্পাদকীয়


এ দেশে ঈশ্বর বিক্রি হয় অলিগলিতে

চারিদিকে বস্তা বস্তা লাশেদের পাহাড় 

এ জমি , এ মাটি কোনটাই আমার নয় 

না !
আর কোন শব্দ অাসছে না 
তোমাকে এখন আল্পস পর্বতের মাথার বরফের মত দেখতে লাগে 

একদিন আমি ঈশ্বর হব সে দিন ধর্ম বলে কোন নাম থাকবে না 
ধর্ম  শব্দটি দুই অক্ষরের হলেও খুব কঠিন একটি শব্দ ৷ আর সেই শব্দকে নিয়ে কিছু মানুষ দৌড়ে চলেছে ৷ বাড়ছে ধর্ষণ , হানাহানি ইত্যাদি ইত্যাদি ৷ জীবনের অলি গলিতে নৃশংসতা বাসা বেঁধে উঠেছে ৷ অথচ আমাদের শিক্ষা , সংস্কৃতি শিখিয়েছে আমাদের সহনশীল প্রকৃত মানুষ হতে ৷ একদিকে আমাদের বাংলা নববর্ষ ৷ যা কিছু
পুরাতন , জীর্ণ যা ঘুচিয়ে দিয়ে নুতনের আবাহন ৷ আর একদিকে আমাদের সমাজের কালো দিক বেড়ে চলেছে বন্যার জলের মত I চারিদিকে শুধু রক্ত আর রক্ত ৷ শিশু প্রাণ ধর্ষিত হচ্ছে দেবালয়ে । প্রাণের অস্তিত্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছিল সেখানে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে ৷ বিলুপ্ত হচ্ছে পতঙ্গকূল ৷ একদিন পতঙ্গের মত মানুষ বিলুপ্ত হবে ৷পতঙ্গ , কীটের মধ্যে মানুষ প্রবেশ করবে ৷ জন্ম হবে গুটিপোকার মত l ধীরে ধীরে উন্নত হয়ে যে মানুষের সৃষ্টি হবে তার ,চারিত্রিক গঠন হবে এখনকার মানুষের  থেকে অনেক অনেক উন্নত ৷  থাকবে না বিভেদ ৷নারী 

পুরুষের মাঝে শারীরিক বিভেদ ছাড়া থাকবে না কোন অন্য বিভেদ ৷ থেকে যাবে সৃষ্টি ৷ সৃষ্টি মানেই সৃজন , আমার সৃজন ৷ সৃজন দ্বিতীয় বছর চতুর্থ ও গ্রীষ্ম সংখ্যায় আপনাকে স্বাগত ৷ এই সংখ্যায় শুরু হল মলয় রায় চৌধুরীর একটি নতুন উপন্যাস ৷ ধারাবাহিক ভাবে সেটি আপনাদের কাছে তুলে ধরব ৷ প্রতি সংখ্যায় যুক্ত হচ্ছেন নবীন, প্রবীণ কবিবৃন্দ ৷ আপনাদের প্রচেষ্টায়, ভালোবাসায় সৃজন আরও উন্নত হোক ৷ ভালোবাসায় থাকুন ,সৃজনে থাকুন ।


পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদিকা

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৮

সম্পাদকীয়





এখানে চুপ থাকতে হয় ৷যখন পাশের বাড়ির আলো নিভে যায় ৷ নামিয়ে দিতে হয় শাড়ির আঁচল ৷ঝড় আসার আগের মুহূর্তে পাখিদের তীক্ষ্ণ অথচ অন্তর্ভেদী চিৎকার ফিরে ফিরে আসে ৷ গাছেরা মুখ খুলে শুয়ে থাকে সূর্যের পাশে ৷
যেন সতীদাহ চলবে ৷ পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে ভাবি অন্তঃপুরের কথা ৷ভাবি সেই সব রাতে'র কত বাতাসহীন কাহিনী । লম্ফের আলোয় ফুঁ দিতে দিতে ঠাকুমার ঘামের গন্ধ আটকে যায় ডিমের কুসুমের মত ।


তারপর একগ্রোস অভিমান জমা থাকে নিকানো মেঝে । ওগো ! পুরাতন পাটাতন পুরানো গন্ধর কথা বল ৷ যা কিছু পুরাতন সবই আমার তোমার সকালের ঘুম ভাঙা মুখের গন্ধের মত ৷
তোমায় যেদিন খোয়াইয়ের পথে দেখি বৈশাখের মাদুলী গলায় এক চুমুক ভালোবাসায় ভরে গেছিল হরিণ রঙা পথ । মাদোলে'র দ্রিমিক দ্রিমিক আওয়াজ হারিয়ার মাঝে ৷

ওগো বসন্ত এসো পুরাতন ভৃত্যরূপে আম্রকুঞ্জে


বসন্ত আঙিনায় দাঁড়িয়ে " সৃজন " এগিয়ে চলছে রোদ হয়ে ৷ " সৃজন " সাথে সাথে "আমার সৃজন" দ্বিতীয় প্রকাশ হতে চলেছে ৷ খুব শীঘ্রই আমরা শান্তিনিকেতনে বাউল গানের অনুষ্ঠান করতে চলেছি ৷ পাশে চাই আপনাদের ৷ " আমার সৃজন " পত্রিকার জন্য বিজ্ঞাপন প্রয়োজন ৷ আপনাদের পাশে চাই ভীষণ ভাবে ৷ সবাই ভালোবাসায় থাকুন । সৃজনে থাকুন ৷যখন সম্পাদকীয় লিখতে বসেছি তখন দীঘায় বসে ৷ কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলাম আপনাদের সাথে ৷

এ বলিষ্ট হাতে মিলিয়ে যাবে শরীর
বেড়ে উঠবে ফেনার মত প্রেম নামক বিষয়বস্তু
নোনা হাওয়া ছুঁয়েছে চিবুক 
আরো একটু দূরত্ব সমান্তরাল হোক

মুক্তি ! 
বালির  পোকার মত নোনা সমতল আক্রান্ত করেছে
এখন শব্দময় বন্ধুত্বের থেকে ঝাউয়ের পর্যটন বড় বেশী আকর্ষণ করে .
দেখা যায় তেতলা'র বারান্দায় বসে শীর্ণ টবের মধ্যে সমুদ্র 
জীবনের পদশব্দ শুনতে পাচ্ছি দূর নীলিমায় করবীর মধ্যে 

এসো নীরবতা আলিঙ্গন করি

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
সম্পাদিকা
সৃজন 

শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

সম্পাদকীয়


বসন্তের দুয়ার খুলে গেল । খুলে গেল আমের মুখ ৷ যে মুখের মধ্যে সবুজ রঙ লেগে আছে তার কোন মা নেই ৷আছে কিছু শব্দ । ইদানিং শব্দহীনতায় ভুগছি ৷ কি লিখব বা লিখব না ভাবতেই সামনেই ২১ ফেব্রুয়ারি কথা মনে পড়ে গেল ৷ "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস "৷ 

১৯৯৯ খ্রীষ্টাব্দে'র  ১৭নভেম্বর  ইউনেস্কোর প্যারিস 
অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে" আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশ সমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।এখন প্রশ্ন হল মাতৃভাষা'র জন্য মাত্র ১টি দিন ! কেন ? যেখানে বার বার অবজ্ঞা স্বরে তাকে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে ৷ মাতৃভাষা কি ? তাকে স্বীকৃতি দেবার জন্য ইতিহাসের অবদান কি হয়তো জানেই না আজকে'র প্রজন্ম ৷ বিদেশী ভাষার প্রতি আকর্ষণ বেড়ে চলছে কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কিংবা জীবনানন্দ পড়ছেন কি ! প্রশ্নটা কিছুটা তর্কের উদ্রেগ ঘটাতে পারে ৷ তবুও চেতনায় আনা দরকার ৷



কিন্তু " সৃজন " পাঠকদের কাছে দায়বদ্ধ ৷ প্রতি সংখ্যায়  লেখক ,কবিগণ নিরলস ভাবে লিখে চলেছেন কখনও ধারাবাহিক কখনও গল্প , প্রবন্ধ কিংবা কবিতা ৷ এই সংখ্যায় আমাদের ফেসবুক গ্রুপ " শব্দের হাতেখড়ি " আয়োজিত "মাতৃভাষা দিবস " উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা সেরা লেখা স্থান পেয়েছে ৷ 
পড়ছেন কি কেউ ? নিশ্চই পড়ছেন
  ৷ না হলে পাঠক সংখ্যা বাড়ছে কিভাবে ? লেখা পাঠান আপনিও অবশ্যই ৷ ভালোবাসায় থাকুন ৷ আসন্ন বসন্ত উৎসব ৷ মার্চ সংখ্যাটিকে শব্দ রঙে ভরিয়ে তুলতে এগিয়ে আসুন আপনিও ৷



ছবি : অন্তর্জাল

শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৮

সম্পাদকীয়



সেসব আমলকী মাখা শাখায় প্রতি রাতে কোকিল ডাকে 
যেমন করে হাওয়া প্রতিবেশী হয় পৌষের বুকে 
এই তো সেদিন হাঁটতে দেখলাম অফিম দানার বিকেলকে 

সে রাতে মৃত্যু এসেছিল জানলার কাছ থেকে
কোথাও এতটুকু চিড় পড়েনি 
শিশিরকণাকে মূক ,বধির হতে দেখেছিলাম 
সবান্ধবে 

শহর যখন গ্রামকে তাচ্ছিল্য করত মাছের কানকোর মত
কিশোর থেকে যুবতী মাঠ এক হয়েছিল
মাতৃজঠর থেকে ভূমিষ্ঠ শিশুর কান্নার মত 

কোথাও এতটুকু দাগ পড়েনি


শীতকাল মানেই উৎসব I আর সেই উৎসবের  সাথে তালে তাল মিলিয়ে থাকে নলেন গুড়ের সুবাস৷পলাশ মাখা বিকেলে একত্রিত হয় শব্দের অনুরাগ৷আর তার সাথে যোগ হয় বইমেলা বা বই উৎসব ৷  মেলা হল এমন এক ক্ষেত্র যেখানে ভিন্ন মানুষের আনাগোনা হয়ে থাকে  ৷ ইতিমধ্যে জেলাভিত্তিক লিটিল ম্যাগাজিন মেলা শুরু হয়ে গেছে । আসন্ন কলকাতা বইমেলা ৷ নতুন বইয়ের গন্ধ সমস্ত বইপাড়াগুলোতে ৷ বই হল এমন এক  মাধ্যম দুটি ভিন্ন হৃদয়ের মানুষের যোগসূত্র স্থাপন করে । 

" সৃজন " অনলাইন সেই কাজটি করে চলেছে নিরলস ভাবে ৷ বইমেলা অাসলে বইপ্রকাশ হয় ৷ এই বইগুলোর সাথে আপনাদের পরিচয় ঘটানো  " সৃজন " ও " শব্দের হাতেখড়ি " গ্রুপের কাজ ৷ এই কাজে আপনাদের সহায়তা আর বেশী দরকার ৷"আমার সৃজন " দ্বিতীয়  ও মুদ্রিত সংখ্যা আসন্ন ।



প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছেন  
" সৃজন "এ  নবীন ও প্রবীণ লেখক / কবিবৃন্দ ৷ পলাশ রঙে সেজে উঠেছে "সৃজন " দ্বিতীয় বছর প্রথম সংখ্যা । আপনার সৃষ্টি আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন দ্রুত  ৷আপনারা  থাকুন আমাদের সাথে আরো ভীষণ ভাবে ৷ " সৃজন " ,
"আমার সৃজন "  আরো বিস্তারিত হোক  এটা আমাদের আশা৷ ভালো থাকুন সবাই । সৃজনে থাকুন ৷

চিত্রঋণ : পাবলো পিকাসো


রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭

সম্পাদকীয়



"তোমার বুকের ’পরে আমাদের পৃথিবীর অমোঘ সকাল;
তোমার বুকের ’পরে আমাদের বিকেলের রক্তিল বিন্যাস;
তোমার বুকের ’পরে আমাদের পৃথিবীর রাত:
নদীর সাপিনী, লতা, বিলীন বিশ্বাস।"

এমন কিছু বিশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে " সৃজন " যাত্রা শুরু ৷ যেমন দিনের পর রাত , গ্রীষ্মের পরে বর্ষা , লালের পরে নীল তেমনই সৃজনের আগমন ৷কুয়াশা মাখা ভোর সরিয়ে একঝাঁক রোদ্দুর সাথে নিয়ে বিগত ৩১ ডিসেম্বর  " সৃজন " পথ চলা শুরু করেছিল ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ৷ বিপুল পাঠকের  চাহিদা , ও  " সৃজন " কবি , লেখকদের অনুরোধে  মাসিক ভাবে প্রকাশ হতে শুরু করে জুন ২০১৬ পর থেকে ৷সৃজন  "সৃজন২০১৭ " সম্মান প্রদর্শন করছে ৬ জন কবি/লেখক বন্ধুদের, যারা ধারাবাহিক ভাবে  লিখে গেছেন সারা বছর ধরে  ।  " সৃজন " এই মানুষদের সম্মানিত করতে পেরে গর্বিত ৷ 
" সৃজন সেরা সম্পাদক " সম্মান পাচ্ছেন 
ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় এবং 
" সৃজন ২০১৭" সম্মান পাচ্ছেন 
অনিন্দ্য রায়,যুগান্তর মিত্র,ভজন দত্ত,জয়তী রায়,চয়ন ভৌমিক,চন্দ্রাণী বসু,তুষ্টি ভট্টাচার্য , অর্ঘ্য দত্ত

একই সঙ্গে "আমার সৃজন"পত্রিকার দ্বিতীয় ও পাগল সংখ্যা প্রকাশ হতে চলেছে ।  পত্রিকার মুদ্রিত ও অনলাইনে মাধ্যমে " সৃজন" অনেক বেশী সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছাক এটা আমাদের উদ্দেশ্য ৷ ইতিমধ্যে আমাদের একটি ফেসবুক গ্রুপ আছে যার সদস্য সংখ্যা ১৯০০ ৷ " শব্দের হাতেখড়ি "  আপনাদের খুব পরিচিত একটা গ্রুপ হয়ে উঠেছে ৷ বিগত দিনে এই গ্রুপ সাহিত্যের অন্যতম গ্রুপ হয়ে উঠবে এটা আমার বিশ্বাস ।


আর যদি না আসো তবে ফুটন্ত জলের বাষ্পে মিশে থেকো 
প্রতিদিনের অভ্যাসের মত 
তোমার অভাব বুঝি আজকাল 
কেমন যেন নীলাভ ভোর হয়ে আসে গাছের পাতাগুলি 
নিজের চুলের মৃদু ঘ্রাণের মত বিকাল গড়ায় 
তারপর আসে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি পূর্ণিমার তিথিতে

হয়ত বা আবার দেখা হবে 
চোখে লাট্টুর মত জানলা তার মাঝে সবুজ খড়খড়ি
উড়ন্ত বাতাসের ঠোঁটে চুম্বন করতে করতে 
কিছু কবিতার কথা বলা হবে

শিশুদের তরল আহার্যের মত তোমার হারিয়ে যাওয়াটা  বড় সত্যি ছিল সেদিন
তবু 

ফুটন্ত জলের বাষ্পে মিশে থেকো

আপনাদের হারিয়ে যেতে আমরা দেবনা কোনভাবেই ৷ ভালোবাসায় থাকুন ,সৃজনে জড়িয়ে থাকুন । " সৃজন ২০১৮ সম্মান " কারা পাবে তার জন্য আপনাদের সৃজনের সাথে আরও বেশী ভাবে থাকতে হবে সারা বছর ধরে  ৷



সম্পাদিকা 
পারমিতা চক্রবর্ত্তী
 ২৩ , বিপিন গাঙ্গুলী রোড , কলিকাতা -৩০
দমদম
পো+ অফিস : ঘুঘুডাঙা

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

সম্পাদকীয় , ৮ম সংখ্যা



আসছে আগামী ৷ চলছে হাজার ক্ষত ।চারিদিকে শুধু ভিড় আর ভিড়৷ আসন্ন শীত ৷ খেজুরের রস আর পশম নিয়ে তৈরী থাকে আমাদের শীতকাল I থেমে যাচ্ছে না৷ থামছে না হারিয়ে যাচ্ছে এই ঋতু ৷ হারিয়ে যাওয়াটাই যেন নিয়ম ৷ না "সৃজন " হারাবে না ৷ "সৃজন " জেগে উঠবে নতুন নতুন প্রাণ নিয়ে ৷দেখতে দেখতে অষ্টম সংখ্যার প্রকাশ হল ৷ সামনেই বইমেলা , লিটিল ম্যাগাজিন মেলা ৷ "আমার সৃজন " থাকবে এবার বইমেলাতে । আপনাদের ভালোবাসার হাত ধরে" আমার সৃজন " এগিয়ে চলছে ৷ ভালো মন্দোয় কাটল ১ টা বছর ৷ আর মাত্র ১ মাস পর " সৃজন " জন্মদিন ৷ হ্যাঁ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ "সৃজন " এসেছিল সাহিত্যের আঙিনায় ৷ সেই জন্মদিনে সামিল আপনিও ৷



"সৃজন " পেয়েছে অনেক নবীন , প্রবীণ লেখকদের গত ১ বছরে । চারিদিকে এত প্রতিবন্ধকতা , লিটিল ম্যাগাজিনের কণ্ঠরোধ , বাণিজ্যিক পত্রিকার রমরমা ৷তারিমধ্যে হেঁটে যেতে যে পারছে " সৃজন " তা আপনাদের সহযোগিতায় ৷ "আমার সৃজন " আত্মপ্রকাশ সংখ্যায় যেমন পেয়েছি অনেক মানুষের সান্নিধ্য তেমন পেয়েছি বেশ কিছু মানুষের অচেনা মুখ ৷ বিজ্ঞাপন ছাড়া একটি পত্রিকাকে দাঁড় করাতে গেলে কত যে কঠরতার সম্মুখীন হতে হয় তা "আমার সৃজন" বুঝতে পেরেছে ৷ তবুও আশাবাদী হতে দোষ কি ৷" আমার সৃজন " দ্বিতীয় সংখ্যা আসছে শীঘ্রই ৷ 



যেমন ভাবে আপনারা "সৃজন " এগিয়ে নিয়ে চলেছেন তাতে তৃপ্তির জায়গা নেই বিশেষ ৷ নতুন বছরে "সৃজন " অাসছে নতুন মোড়কে ৷ অপেক্ষায় থাকুন ৷ সৃজনে থাকুন I

পারমিতা চক্রবর্ত্তী
"আমার সৃজন"

ছবি কৃতজ্ঞতা স্বীকার: Cesar Legaspi

শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সম্পাদকীয়

ভারতীয় চেতনায়  দেবী দুর্গা কিংবা চন্ডী কল্পনা এক অনন্যসাধারণ উপলব্ধি। এই চেতনাকে অবলম্বন করে ভারতীয় ধর্ম ও সংস্কৃতি বহুদূর প্রসারিত হয়েছে। এই উপলব্ধির গভীর অন্তঃস্থল স্পর্শ করে আমাদের ধর্মবিশ্বাস পরম্পরায় প্রবাহিত হয়ে চলেছে প্রাচীনকাল থেকে।প্রাক্ আর্য-সভ্যতার যুগেও এই কল্পনা সজীব ছিল। মহেঞ্জোদাড়ো, হরপ্পায় আবিষ্কৃত নিদর্শনগুলোর মধ্যে কয়েকটি দেবীমূর্তি পাওয়া গিয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনুমান যে ঐ মূর্তিগুলো দেবীমূর্তি এবং পৃথিবীদেবী। মহাজাগতিক ক্রিয়াকলাপ এবং অদৃশ্য মহাশক্তির মহালীলার উপলব্ধি থেকে পৃথিবীকে দেবীরূপে কল্পনা করা হয়েছে ৷ যার প্রকাশ জলে স্থলে অন্তরীক্ষে, প্রতিটি অণু-পরমাণুতে, পরমা প্রকৃতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে।

কাশফুলের আগমনে দুর্গাপূজা উপস্থিত I সাথে সাথে " আমার সৃজন " আত্মপ্রকাশ প্রত্যাশা বাড়িয়েছে বহুগুণ ৷ 


" আমার সৃজন " পত্রিকার পরে সৃজন অনলাইনে " শারদীয়া সংখ্যা" প্রবন্ধ ,ভ্রমণকাহিনী , গল্প ,কবিতায় ঠাসা ৷  সৃজনে থাকুন সবাই  ৷ সবাইকে শুভ শারদীয় শুভেচ্ছা ৷

প্রচ্ছদ শিল্পী :ধীমান পাল