শুভাশিস সিংহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শুভাশিস সিংহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

শুভাশিস সিংহ, পারমিতা চক্রবর্তী,


চুমুকের ইতিহাস

...............................

বরফ জমেনি
জানালা কিংবা চুমুকে
আজ বহুদিন আমেজের গ্লাস দেখিনি

- অপবাদ
বোঝাতে মুখোমুখি
আমি কোলকাতা, তুমি সিকিম

কথা বলতে
মৃদু মৃদু সুখ
নিরাকারের বিশ্বাস নিয়ে.....

অনীহার দরজা ঠেলে যে রোজ আসে
তাঁর সংলাপে কমার চেয়ে বেশি দাঁড়ি

ক্ষমা ভুলের পুনর্জন্ম
প্রশ্রয়ের ঠোঁটের কদর জানে না

-জানো, ফুসফুস পরিচর্যাহীন ৷
– ভালো লেগেছে !
তুমি আজও ভিসুভিয়াস
- আপোসহীন ভাবে


শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৮

শুভাশিস , পারমিতা

হিলস্টেশনের ঘুম
১)
 খিদের সামনে বসে 
নরম একটা সংকোচ 
হাত রাখলেই গলে যেতে পারে 
২)
একদিন ফিরতে হলে 
ঠোঁটের পরোয়া করবো না 
অরণ্যের শোকমিছিলে সামিল হব
পাতা সরিয়ে দেখে নেব 
"বিসর্জনঘটিত তার গলি ও গন্তব্য"
৩)
একটা অতিক্রমযোগ্য ভুলের পর 
শীত রাম অবতারে 
শুধরে নিতে চাইলে 
তিন পেগ মগ্নতাই যথেষ্ট 
৪)
কেউ হিসাব রাখেনি 
কতটা স্তব্ধতা ভাঙলে - তিস্তার পাথর গলে 
মেজাজ বদলাচ্ছে অনিকেত 
শরীরের এবং ঠোঁটের

এখন টেবিলজোড়া নিবন্ত সিগারেটে চেয়ে  হিলস্টেশনের ঘুম 

রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭

শুভাশীষ , পারমিতা

স্বীকৃতি



জ্বরের বিকেলে ব্সলাম
পাশে দীর্ঘদিন
ঋতুর প্রয়োজনীয় বার্তায়


কানকে যতটা সম্ভব

আবেদন থেকে  দূরে রাখছি

যদিও কথার দৈর্ঘ্য কমছে- আজকাল

ভাবছি চিঠি লিখব
সেই সব দুপুরদের
যারা খেলতে , খেলতে কুড়িয়ে নিত

সন্ধ্যের অযত্নে থাকা  গোধূলি


তারপর অন্ধকারে'র মানচিত্রে


জোনাকির বিছানায় / ডুবে যাওয়া ঘুমে

কিছু নিরাপদ আত্মগোপন


এসো সম্ভাবনা

  এবার একটা ভুলকে  স্বীকৃতি দিই 

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০১৭

শুভাশিস সিংহ


মীরা-১২


কথার তফাতে যত কান
চোখের বুকে তাদের জবান
সব নিয়ে মেঘ লিখতে গেলে
স্কুল ছুটির ঘন্টা পড়ে
সন্ধ্যালাপ ঝিঁঝিঁর গান
কলম্বাসই জানত
কম্পাসের আছে প্রাণ
সেদিন বিকেল ট্রেন থামল
নিরুদ্দেশ দুটি চোখ
ঘুড়ির মাঠ গোল্লাছুট
দোষের ভুলে সতেজ ক্ষত
বিন্দু না বিসর্গ বোঝে
নিঃসঙ্গতার পরিধি কত

মীরা-১৩
কথা যদি বিশুদ্ধ হত
গল্পের পরিস্কার পাতায়
স্নায়ুর পীড়া অনায়াসে কবিতা হত
কে দোষী মীরা
গল্প না কবিতা
দুপুরের থিতু ময়দানে
একটা-দুটো করে বাড়ে
অংশ-ভগ্নাংশের কবিত্ব
কৃষ্ণচূড়ার অবহেলায় প্রশ্রয় পেলে
পায়ের কাছে রোদ্দুর এসে বসে
কোনটা স্থায়ী মীরা
ময়দান না রোদ্দুর
কিছু পেয়েও না পাওয়া
কিছু না পাওয়ার চেয়ে বেশি
কাছাকাছি সম্বন্বয় আনা দূরত্ব
আদায় করেছে ভেজা ভেজা উত্তাপ
বিশেষ মিণতির সরণাপন্ন হয়নি
কোনটা ভুল মীরা
আদায় না সম্বন্বয়



বুধবার, ১৪ জুন, ২০১৭

শুভাশিস সিংহ


মীরা 

)

তুই বসলি অপেক্ষার চেয়ারে 
প্রাসঙ্গিক অবকাশের কথোপকথনে

তুই এলি সব কমা , দাঁড়ি মুছে
দৈনন্দিন অভাব অনটন ভুলে

তুই প্রকাশিত অশান্তির নোনা জলে
প্রতিক্রিয়া পরিণাম প্রকাশ না করে
চলে গেলি পরম পরিপূর্ণতায়
সংখ্যাধিক্য অভিমতের প্ররোচনায়
তবু সিদ্ধান্তের অচিরায় 
"মীরা " হয়ে ...


১০)

কথা থেকে ভুল খুঁজলে
পান্ডুলিপি কোন কবিতা নয়

বিশ্বাস নিখুঁতভাবে সাজালে 
অপেক্ষা' প্রত্যাবর্তন অনিবার্য

বিরতির চোখে স্পষ্ট বিজ্ঞাপন
"গোপন নেশা মুক্তি কেন্দ্র"


১১)

জানিস মীরা 
এখানে বাজার ওঠে আর নামে
ঠিক তোর বুকের মতন
বাজার কি 
সেটা সবাই জানে না
এটা জানে তুই রক্ত মাংসের একটা গতর
বিশেষ চোখে নারী; বেশির ভাগের মাগি
আর সেন-সেক্স চ্যাতানো ঠ্যাং এর মাঝখান দিয়ে বাড়ে
সমাজের ভোজালি




মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭

শুভাশিস সিংহ


মীরা 

)

নাহ মীরা
তোকে বাজারি বলতে পারব না
অনুর্ধ্ব ঊনিশের ঠোঁট জাপটে ধরেছি
নিঃশ্বাসের তোয়াক্কা না করেই
স্বাদের গভীরতায় ডুব দিয়েছিলাম
কিছু অসত্যকে উপাচার ভেবে 
পাছে হ্যাংলা চোখে চোখ লেগে যায়
সরমের ওড়নায় আড়াল করেছিস
তোর ঠোঁট বহুবার ছুঁয়েছে 
আমার অবিন্যস্ত গাল 
কোন কারণ ছাড়াই 
নাহ মীরা 
তোকে বাজারি বলতে পারব না
যৌবনের একান্নবর্তী দুপুরে
নিঃশব্দে খুলেছিস ব্লাউজের হুক 
সর্পিল ঘাম নেমেছিল 
অন্তবর্তীকালীন বৃষ্টি ভেজা উঠোন জুড়ে 
সুযোগ'কে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে 
আদালতে অন্য কেউ উপস্থিত ছিল না ..
বাসন্তী শাড়িতে আঁচড়ানো শরীরের 
আনকোরা মন উত্তাপ নিতে না পারলেও
এগিয়ে দিয়েছিস তাপদগ্ধ চুল্লি
তোর ঘুম বহুবার জেনেছে 
দেহাতি মনের দলিত মৌতাত
সুখ সেদিন গুলিতে তল পায়নি 
সুশ্রূষা পেয়েছিল আদিমতা' 
তাই স্মৃতির অতলে এখনও জাবর কাটে 
আবারও বলছি
মীরা, 
তোকে বাজারি বলতে পারব না


)
কথার দূরে যে চোখ
শব্দ অপচয় আমার অভ্যাস নয়
বুকে জড়িয়ে নেওয়ার ইচ্ছেতে
বৃষ্টি কখনও ঋণী নয়

ঘুম আদপে একটা ক্লান্তি
খাটের ওপাশের চেয়ে কে বেশি জানে
ভালোবাসা দরদী বাহানা
চৌকাঠ থেকে বিছানার দূরত্ব তা মানে

)


একটা হুবহু নারী নিরাপদে চলছে
আমি তাকে অনুসরণ করি

ছায়া দীর্ঘ থেকে রুগ্ন হতে
অন্ধকারের হাত ধরে
আমি আঁচল উড়িয়ে জোছনা দেখি

পশ্চিমের সূর্য যেমন মাটিতে মেশে
সেও মেশে

আমি সেই জন্মান্ধ
যোনি-পথ খুঁজি মাটি সরিয়ে

কখনও লাল কিম্বা সবুজ অথবা গেরুয়া
অহংকারে মিশতে মিশতে মিলিয়ে যায়

আমি কবরের উপর ত্রিশূল দিয়ে
এপিটাফ লিখে রাখি