মানস চক্রবর্ত্তী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মানস চক্রবর্ত্তী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

মানস চক্রবর্ত্তী



ক বি তা              



১)

হুইসেল বাজিয়ে বাজিয়ে পাখি ওড়া দেখি 
পাখিটিও বাজায় ফ্রু ফ্রু 
আমাকে দ্যাখে আপ্রাণ 
নিঝুম  বনজ গান যে কটা জমিয়েছি এতকাল 
 জঙ্গুলে শ্যাওলাধরা পাত্রে পাত্রে রেখেছিলাম
রেখেছিলাম মান্ধাতার আমলে
আঙুল দিয়ে ডাকি এখন
গানগুলো গড়িয়ে আসে রসের ধারায় 
 চলছে না-মেঘ না-রোদের খেলা 


২) 

অসমাপ্ত ডানা নিয়ে 
যে পরী নামলো এই সন্ধ্যায় 
সে কি করে খেলবে এখন 
উড়ে উড়ে সেই সব খেলা পরীটির সাথে 
আর কী হবে না এ জীবনে তার
চাঁদ ভেসে যদি না আসে আর 
নদীর তীরে ভিজে বালির ওপর 
আবছা যোনীর দাগ 
আলতো দাগ নতুন স্তনের 
মিছিমিছি সজিনার ফুল 
আর তার বাসি গন্ধের মতো 
খেলা পড়ে আছে সবুজ তটিনীর গায়ে 


৩) 

কোথা থেকে গন্ধ আসছে 
শুনতে পাচ্ছি না 
জল ঢেইয়ে আলো রঙের মেয়ে মাধবী যেন 
ঈষৎ নত  চোখে নিচু মেপে মেপে 
টিপে টিপে চলন্ত সব এদিক ওদিক ছড়িয়ে
শিহরণের কালে  মেয়েটির গায়ে কাঁটা ফুটে উঠেছে যেন
তা ব্যাতিত আর কিছু শোনা ও জানার বাইরে 
তবু সে চোখ তোলে 
ছিঁটকে আসে সন্ত্রাসী হাসি 
নির্জন আমাকে শুইয়ে বুকে উঠে আসতে চাইলো ঠিক তখনি 
নির্জনের গন্ধ আমাকে 
মাধবীর ঘাঘরার গোপনে আমাকে 
 আমার নাকে চেপে ধরছে  ঋতুর গন্ধ যেন


বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৯

মানস চক্রবর্ত্তী

সেকেলে দাদু দুদু উচ্ছন্নের কথা 
-------------------------------------------


ভালোদাদুই পোথম আমার বুক ধরেছিলো 
যাঃ
সত্যি বোলছি মাইরি মাক্কালী
ধোরবে বলে ধরেছিল !
হুঁ তো । প্রায় প্রায় ধোরতো । ছুতোয় নাতায় । বাঃ মুনিয়া তোর ফরকটা তো বেশ বোলে টেনে নিতো তারপর একহাত পিঠে আরেক হাত বুকে ।
তুই কষ্ট পেতি মনে মনে?
মেয়েদের সহজে কষ্ট পেতে নেই
অবশ্য ভালোদাদু আমারো নুংকু নিয়ে যাতা করতো । সবার মধ্যে পেন্টুলের সামনে হাত দিয়ে চিৎকার করতো নন্দোর চিটকেনাটা ইয়াআ বড়ো
এ বাবা , তোর লজ্জা কোরতো ? তখন তুই কত বড়ো ?
এইট টেইটে পড়ি
তার মানে তো ঘাস গজিয়ে গ্যাছে
তা তো হবেই
একদিন নাআআ ভালোদাদু আমার বুকে মুক দিয়ে বলে দিদিভাই এট্টু মিনু খাই। আমি তো হাত ছাড়িয়ে দে  দৌড়। ক'দিন পরে বাড়িতে এসে উঠোনে দাঁড়িয়ে কী জোরে জোরে মা কে ডেকে বলছে কী , বৌমা তোমার মুনিয়া ডাগর হয়েচে গো আমায় দুদু খেতে দেয় নাকো আর ।
তখোন কাকীমা মুক ঝামটা দিতো না !
ধুস মা তো মুকে আঁচল চাপা দিয়ে রান্না ঘরে খিলখিল কোরে হাসতো । আরে বিন্দু পিসি কম করেচে আমার সনগে । ঘাটে পীঠে সাবান দিতে দিতে বগোলের তলা দিয়ে বুকে হাত দিতো , আমি যদি বলি উঁউউ , সঙ্গে সঙ্গে টিপে দিতো । আর সকলে কী হাসি । ভাগ্গি মেয়েদের ঘাটে চান কোত্তুম । আমায় বিন্দুপিসি পীঠে সাবান ঘষতে বোলতো , আর আমার হাত টেনে নিতো নিজের বুকে , বোলতো টেপ টেপ , কাউকে খপোরদার বোলবিনি কিন্তু ।
ও মা তাইইই ! বিন্দু পিসিদের বাড়িতে একবার , ওই যেবার রত্নাপিসির ছেলের পৈতে হলো , বিন্দুপিসি ছাড়া সবাই তো চোলে গেলো বর্ধমানে , মাকে বোলে গেলো , নন্দ যেন রাত্তিরে থাকে , বিন্দুর একা একা ভয় করবে । এট্টা পুরুষ মানুষ থাকা দরকার । বিন্দুপিসি ফাস্ট ইয়ারে পোড়তো । আমি খেয়েদেয়ে ছোটঠাকুমার বাড়ি শুতে গেলুম । বিন্দুপিসি সব্বোস্য এঁটে বসে আছে । আমি যেতে যেন তার ধরে প্রাণ এলো । খেলোদেলো । আমি বোল্লুম তুমি শুগে যাও । একটু টিভি দেখে এ ঘরে শোবোখন । বিন্দু পিসি আঁৎকে উঠে বলে , ও নন্দ আমি মরে যাব --- লোক্কী সোনা আমার কাছে শো । আমি ঘুমুতে পার্বো না রে , খুটখাট আওয়াজ হোলে হাটফেল করে মরে যাবো । তকোন কী আর করি । অগত্যা ওর ঘরে শুলুম ।
হ্যাঁতোও ও খুব ভীতু ।
শুদু ভীতু ! আমি ঘুমিয়ে পড়েচি । হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল । আমার পেন্টুলের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দিয়েছে ।
সে কীঈঈঈ ! এ বাবা ! তার পর ?
আমাকে জাগতে দেখে তাড়াতাড়ি হাত বার করে নিয়েচে । কিন্তু ততক্ষণে তো যা হবার তা হয়ে গেছে । শালা কাউকে বোলতে পাচ্চি না । মাক্কালী এই পোথম তোকে বোল্লুম । আর কেউ জানে না । তারপরেও তিনদিন রাতে শুতে গিয়েচি কিন্তু আর টাচ করেনি । করলে নাআআ--- 
নন্দো মনে আছে সুবল স্যারের কাছে পড়তে যাওয়া ! 
মনে থাকবে না ! রেচনের চ্যাপ্টার আসতেই ব্যস আর যেন তোরা মুক তুল্তে পারতি না , মাধবী তো ফিক ফিক করে হেসেই যেতো 
আর হরমোণ --- ওফ যেন কী না কি --- স্যারের পড়া শুনে ভেতরে ধন্ধ হলো , নিশ্চয় স্যর কিছু চেপে যাচ্ছে ; ভাবলুম গাছের ভেতরও হরমোণ আর আমার ভেতরও হরমোণ ।
লজ্জায় লজ্জায় পড়াই হলো না , জিগ্গেস করা হলো না , পরে পড়তে গিয়ে দেখি ---- ভোঁ ভাঁ । ছেলে মে একসঙ্গে না হলে ভালো ছিলো ।
জননটা আলাদা পড়িয়েছিলো মনে নেই ? আমাদের মে'দের সকলেরটায় হাত দিয়েছিলো স্যার । তোদের ?
ধুস , আমাদের সম্পূর্ন ফুলের পরাগ মিলন বুঝিয়ে বোলেছিলো , গাছের মতো মানুষেরও স্পার্ম আর ওভাম মিলিত হয়ে বাচ্ছা হয় ।
বোঝো ঠ্যালা আর আমাদের মানুষের প্রাইমারি অর্গান তার বোঁটা অব্দি ধরে ধরে বোঝালো , আর কেবল বলে লজ্জা করলে লাইপ সাইন্স পড়া হবেনা কো । 
ভেবে দ্যাক এখন হলে জেল জরিমানা হয়ে যেতো ।
ভালোদাদু , বিন্দুপিসি সুবোল স্যর সব জেলের ঘানি টানচে !



সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮

মানস চক্রবর্ত্তী

দেখতে নেই তবু দেখি
ভালোলাগা 

পর্দায় আটকে যায় চুমু আর খিলখিল
তবু নড়ছে দেখি
তবু জুড়ছে দেখি

দেখতে নেই  তবু শুনি 
শুনতে নেই 
ভেতরের আলো নিবিয়ে 
জানলা গলা আলোয় দেখি
 
আমি আর কী দেখি
চাঁদ সব দেখে নেয় 
ফেলে রাখে কিছুটা জ্যোছনা

কিছুটা কামিনী




সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৮

মানস চক্রবর্ত্তী


এই ভাবে পা ডুবিয়ে বসে আছো 
শিরশিরানি কিভাবে অজান্তে আমোদ দেয় 
তা তোমার চোখ দেখলে বুঝি গো

দূরের দিকে নজর রেখে রেখে আর সতর্ক  
শিকারের নিয়ম মেনে 
সাঁতার ডাকছো অবিরাম 

অসমাপ্ত ঘুর্ণিগুলো লেচ্চিতে আটকে রেখে
জলকে চলতে দেবে তা কি হয়

ভিজে উঠে আসছে উরুথ বরাবর
জবজবে চেটে দিচ্ছে যোনীকেশর
ওহো ফিজিওলজি 
এখানেও হরমোণ পাঠিয়ে পাঠিয়ে কিভাবে যে
আমাকে কুমারসম্ভব পড়াতে চাও

চোখ বুজে আসছে নজর জমা রেখে
ক্রমশ  স্পষ্ট আয়োজন



শনিবার, ৩০ জুন, ২০১৮

মানস চক্রবর্ত্তী



আঁচল সরালেই তো ...
তাহলে সরাও ।।

ঋষিখোলা থেকে সামনে যাচ্ছো  সমানে আর পেছন ফিরে ফিরে দুলিয়ে দিচ্ছো 
চাঁদের আলো শুইয়ে রাখলে বুক ভেসে গেলো সে কি তোমার নয় ... আমার চোখ ভাসিয়ে আমার রুকস্যাক  ঘেঁটেটেটে ... উফ এতই নেশা !

আমি যখন মধ্য পঞ্চাশের হীম রক্ত নিয়ে জুলুকে ঝুলে যাচ্ছি 
তুমি আঁচল সরালে 
আর আমি সিল্করুট দেখে ফেল্লুম
ওই তো কুপুপ হ্রদ ওই তো ঘোর লাগা আঁশ গন্ধ
নাথান ভ্যালি আরও চোখের সামনে তুলে ধরো
নজর হারিয়ে যাক তোমার সিল্করুটে ... ওখানে সূর্য নরম হয়ে আছে

আঁচলটা সরাও এবার 

শনিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৮

মানস চক্রবর্ত্তী

১)

ওপাশেই তো 
গুলে যাচ্ছো গীজারী গরমে
দেখতে চাইছি হোক না নিজের
পরের চশমায় দেখে নিচ্ছি 
আর অসুখটা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রগে

আমার ডলবি ছবির নায়িকা
চান কোচ্চো 
ক্যামেরা বউ আর বেশ্যা আলাদা করেনা

২)

দুপা তারপর আবার দুপা
ছকের মধ্যে 
এমনকি রোদভাসা মফস্বল

'কমা'কে একটু টানলেই 'ত' 
আরেকটু আরেকটু 
রুনুর নাভি

একপা একপা আরেক পা
তিস্তা  
ওপারে বারণ  

নোঙর দুলছে নৌকোর গায়ে
খেলা করছে খেলা

৩)

বাইরে একটা রঙ বইছে
হাত বাড়িয়ে মাখতে হয়
           আগল 
           খুলে

বাইরে কালো দেখছো আর টিপটিপ
কিছুতেই  ঋতুকে দেখতে পাওনা
             সবুজ
             আসলে

বাইরে একটা যাত্রা লিখছে ট্রেন 
দেখছো না চাকায় সাঁ সাঁ
             জার্নিই
              বলে

চিত্রঋণ : পাবলো পিকাসো

মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৭

মানস চক্রবর্ত্তী


ত্রাণ 
 আগষ্ট এলেই তুমি তুচ্ছ কোরে দাও 
আর এলিনা ঘাগরা ছুঁড়ে দেয় 
মেঘ তখন ঝাউবন ছেড়ে ঘাটালে 
তুচ্ছগুলো ফেরৎ নিতে গিয়ে 
তুমি দ্যাখো একবুক জলে এলিনাকে
তোমার হাতে তখন 
দেওয়ার মতো বলতে নিজের পড়নের শাড়ি

ঘাটাল এখন তোমাকেই খুঁজছে


শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০১৭

মানস চক্রবর্ত্তী


ক্যাম্পফায়ার 
চলো এবার 
হারিয়ে ফেলি চাবি
অনন্ত বনের মধ্যে ক্যাম্প ফায়ার
চাঁদ চুঁইয়ে নামছে শিৎকারের সুতোয়
চালে চালে গাছেদের বেহাগ রগড়
বুকের বোঁটা থেকে চাঁদ ছোঁয় নাভীর আদর
ততক্ষণে দাউ দাউ
ততক্ষণে রাতের দরজা জানলা ভাঙচুর

এবার ফিরে যাও বাউল বসন

চাবির হারানো থোলোতে যেন রতি বাজে
লাঙলের নিটোলে বীজ তুলে দাও


বুধবার, ১৪ জুন, ২০১৭

মানস চক্রবর্ত্তী

১॥

নাল এভাবেই বসে
আর নিশ্চিত করে পুরস্কার 

বুনো ঘোড়ার তেজ সম্বল

২॥

ক্ষিধের সময় হোলে
ভাতের বদলে তুমি

জ্যোৎস্নায় মায়াবী চরাচর


৩॥

ট্রাম আর ওভারট্রাম করেও
আটকে যাচ্ছো কলমীদামে

নারায়ণ এখন নিজস্ব শয়ানে


৪॥

জিভ দেখালে চাটা আসে 
তবু চাটতে বোলছে রোজ

জিভের নিচে করাত পুষেছি তাই





মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭

মানস চক্রবর্ত্তী


কি শিখি                 


ক্লাস বলতে যা বুঝি তা কিছু একটা শিখে আসার জায়গা । সবসময়ই যে বেঞ্চ পেতে বসে সামনে ব্লাকবোর্ড টাঙিয়ে শিখতে হবে তার মানে নেই ! 
1) কোকিল গুরুর পাঠশালায় গান শিখি
2) পল্টুর চা দোকানে পলিটিক্স শিখি
3)  মা'র পেছনে দাঁড়িয়ে রাঁধুনী বেটে রাঁধুনীর সম্বর দিয়ে কাঁচা ট্যাংরার ঝোল শিখি
এভাবেই শেখা বাড়ে !
এক লোক বাবুঘাট থেকে ব্যারাকপুরে বিনোদন লঞ্চে ডাক পেয়েছিল গ্যালো রোববার । সবাই জানে সে গান গায় ভালো । লঞ্চের ডেকে বসে সে যখন কালো চায়ে একচুমুক সবে দিয়েছে এক মেয়ে আর তার বয়ফ্রেন্ড এসে দাঁড়ালো । এতক্ষণ কেউই তাকে খেয়াল করেনি ।' মেয়েটি বোল্ল আমি মেঘা আর ও আমার স্বামী স্বপ্নময় । 
গায়কটি  মুখতুলে দেখলো দুটি ন্যাড়া মাথা  অপরূপ - অপরূপা । ওদের দিকে সবার দেখছিল । লঞ্চ ততক্ষণে হাওড়া ব্রীজের নিচে ! মেঘা যখন বসতে চাইল গায়কের টেবিলে ততক্ষণে আরও কয়েকজন মহিলা এগিয়ে এলো আর গায়ককে শুভেচ্ছা জানালো । 
মেঘা দেখলো সবাই তাকে আর তার বরকে আড়ে আড়ে দেখছে  এবং সে অস্বস্তি বোধ করতে লাগলো । 
লঞ্চে তখন একজন কৌতুক পরিবেশন করছিলেন । তাঁর মজাদার কথা শুনতে শুনতে সবাই হাসছিলো ... এমনকি মেঘাও ... এবং হাসতে হাসতে মেঘা কাঁদছিলও ! স্বাভাবিক কারণেই মহিলারা ফিসফিস শুরু করলেন এবং তখনই মেঘার কান্নার শব্দ স্পষ্ট শোনা গেলো । সে তখন বিষন্ন ... বোল্ল কাল থার্ড কেমো শেষ হওয়ার পর উইগ কেনার সময় পাইনি ... আমার সঙ্গে ও ও ন্যাড়া হয়েছে ... আপনজন থেকে আমাকে ইনভাইট করেছিল ... আসলে আমার আসতে ইচ্ছে করছিল ... আপনার গান শুনবো ... মেঘার কান্না এখন প্রবল ... ! গায়ক কী বলবে কী সান্ত্বনা দেবে ভেবে পাচ্ছিলো না । তখনই ওই মহিলারা সবাই তাদের উইগ খুলে ফেল্লেন আর  মেঘা বিস্ময়ে দুহাতে ঢেকে ফেললো তার ঠোঁট ... স্বপ্নময়ের বুকে মাথা রেখে সে ন্যাড়ামাথা মহিলাদের দিকে স্বপ্নের চোখে তাকিয়ে থাকলো ।
এই ক্লাস থেকে কি যেন শিখলাম এখনি !!