অর্ঘ্য নাথ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অর্ঘ্য নাথ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

অর্ঘ্য নাথ


 বৃষ্টিহীন সেই ছেলেটি 



লড়াইটা কেউ দ্যাখেনা
দ্যাখে দৃশ্যমান সুখ,
রক্তটা কেউ দ্যাখেনা
দ্যাখে লক্ষ্মীঝাঁপি মুখ।
কীভাবে একটা ছেলে বৃষ্টিহীন
একা বড় হয়,
ভেজা চোখে গোসাপের গর্ত দেখে
পেরিয়ে যায় মেঘলা কাদা মাঠ,
একটা জগৎ তৈরি হয়
নিজেদের একটা বকুল গাছ -
কেউ সেটুকু দ্যাখেনা।
শুধু আগুন আরো আগুনে মরে
অসভ্য গ্রীষ্মে ফুলে ফুলে ওঠে -
কোন ম্যাজিকে ছেলেটা
বড় গাছে ফুল ধরায় 
স্বরবৃত্তে বৃষ্টির দেশ !

শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

অর্ঘ্য নাথ

             




বোধন




অব্যুঢ় যুবক সবুজের মতো দানপত্র নিবিড়
ঘাটে বাঁধা তার পরমা মৃদু সুদূর
ডাহুক খুঁজেছে তালগাছ ভালো নাকি শিবির
অভিধানে দুপুর ঘুমায় নিশ্চিন্দিপুর নিশ্চিন্দিপুর।

তুলোর মতো আকাশ কখনো রুপোলি গন্ধে শ্রাবণ
প্রিয়জনের ভ্রমর মাখা কাশফুল নিয়তি রাকা
যুবক তবু শারদ আলোয় অস্থির, সোঁদা পলাতকা
ওপার থেকে নদীর গন্ধে প্রথম আলোর বোধন।

যুবকের 
                                     পথ 
                 গেছে
                                                     বেঁকে
প্রান্তিক অবশেষে অম্বিকা অথবা আটচালা
তরণী থাকুক অপেক্ষকাতর 
বাগধারা নীল পঙ্কজ ই শ্রেষ্ঠ মহিমাপালা ।

শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১

অর্ঘ্য নাথ

                                


পরাজিত
..............

আলিপুর ছুঁয়ে
ছোপ লাগা ইমারত ছুঁয়ে
যে মায়াজাল খবর লাফিয়ে নেমেছে
আমরা অন্ধ হয়ে তার নরমে ঘুমিয়ে পড়েছি।
আমাদের কোনো জন্ম নেই
আমাদের কোনো মৃত্যুও নেই।
আমরা কদাচিৎ ভোরের আকাশে চাঁদ উঠলে
থমকে যাই
লিঙ্গ চেপে ধরে হ্যারিকেনের পোষা আগুনকে
খিস্তি চেনাই।

পরাজিত দের কেউ মনে রাখে না!


মনখারাপ
...............

ধীরে ধীরে দিকশূন্যপুর ছুঁলো
শেষ বিকেলের নৌকো
আমি গৃহী খরগোশের মতো নেমে আসা
কুয়াশায়
মনখারাপ খুঁজি।


শ্রাবণ ১
........

আমার নিজের কোনো ঘর নেই।
আমার আমি ছাড়া নিজের কোনো মানুষও নেই।
তাই এই ভরা শ্রাবণেও
আমি তোমার অন্বেষণে -
হয়তো প্রাপ্তিতে মেঘ মেঘ
এক কাপ অন্ধকার কফি
অথবা
প্রগাঢ় এক চুম্বন।

আমার ইট কাঠ কয়েদ অন্বেষণের নেশামুক্তির জন্য
এটুকু বিষ প্রয়োজনীয়!



শ্রাবণ ২
............

এই বিন্দু বিন্দু অসময়ের ভাললাগা তোমায় দিলাম।
আমার তো সারাজীবনই শ্রাবণ মাস ...


বিবর
........

তোমায় দেখে ফুচকা ভাঙার মতো
একটা কুড়মুড়ে শব্দ হয় বুকের ভিতর।
অকারণে রুমাল খুঁজি
শুকিয়ে আসা ঠোঁটের উপর বুলিয়ে দিই
চেরা জিভের বিবর।


জড়ফুল
.............

চলে যাবার সময় হলে
তোমার মতোই ফিরে তাকাবো না।
শূন্য থেকে যাওয়া ঋণের পাত্র
ফোঁটা ফোঁটা জল -
বাহুল্যপ্রবাসে মরুপথে জড়ফুল ।


বানপ্রস্থ
............

আমি এখন একাই পাখি দেখি
দেখি ওদের ডানা ঝাপটানো
দু ' একটা পালক পড়ে থাকতেও দেখি
আর দেখি
বাসায় ফেরার পুরনো গল্প -
একটা ফুরফুরে বিকেল ।