মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই, ২০১৮

চন্দন দাস



আঙুল খসছে পৃথিবী
         
ভাললাগার মত কিছুই নেই
পালাবার প্রবনতা নিয়ে বারবার ফিরেছি
রঙীন ব্যলকনি জুড়ে, তখন মধ্যরাত।

কাচভাঙা শব্দে তোমাকে অস্থির মনেহয়
কতরাত ঘুমোওনি আঙুল খসছে পৃথিবী। 
চোখের নীচ ছেঁড়া ব্লাউজ,এলোমেলো চুল
স্তনের ওপর লাল তিল- আসামি সাজায়।

এই ক্ষমাহীন পাপ বাড়ন্ত পথ ও পথিক 
যতক্ষন না রাষ্ট্র আমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়!

আসলে মৃত্যুই পারে ছেড়েআসার গল্প লিখতে।।

------------------------////////------------

নীলচোখ 

ঝড় থেমে যাবার পর পাখি'র চোখে তৃষ্ণা দেখে
মেয়েটা বাড়ি ফিরছে। সারারাত বৃৃৃৃষ্টিতে পাথরমুখ।
কপালে রক্তচন্দনের ফোটা গড়িয়ে পড়ছে ঠোটে।
রাজপথ তখনো ঘুমিয়ে অস্তমিত ভোরের আলোয়।

     অব্যক্ত কথা খসে পড়ে পা'য়ে পা'য়ে হাঁটাপথ
সুরটানা গলিটা পেরতে নেড়ি কুকুরদে'র চিৎকার।
আর কিছুটা দূরে নিঃশর্ত বোতাম খোলা কলোনি 
নৈঃশব্দ্যতা ভেদকরে ছেঁড়া বটগাছ            বিজ্ঞাপন হয়েওঠে।

মেয়েটা জানতইনা, ইতিহাসের জন্ম আছে মৃত্যু নেই
প্রতিরাত একটা করে পৃথিবী বদলায়.. 
ধুলো আর হলুুদ দর্শন জল আঁঁকে ত্বরান্বিত পথ।
যে পথে জীবনঈশ্বর ছুরি কাটে।ক্ষত বিক্ষত নীলচোখ।
             
স্বপ্নঘোর ভয় পায় সে-পথে আগুন অনুবাদ।।
  


কানামাছি খেলা

বিচ্ছিন্নদ্বীপে কবিতা আসেনা,
চারপাশের জলে কত শব্দ ভেসেআছে
ছেঁকে তুলেনিয়ে পরপর সাজিয়ে নিলে
অসংখ্য ঋতুস্রাবের কবিতা হয়ে যেত!
                                          দরজা বন্ধ
ডায়রিরপাতা পুড়িয়ে যাই
গনগন আগুনে বিড়ি ধরিয়ে সেঁকে নিই হৃৎপিন্ড


রিং রিং ধোঁয়া বিচিত্র ভূগোল আঁকে
ছুঁতে পারিনা এই তেজস্বিতা...
ভয়হয় যদি হারিয়ে যাই কানামাছি খেলায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন